ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

কথিত ধর্মঅবমাননা ঘটনাটি ঘটেছিল রবিবার, ৮ই মে, রবিবার। কিন্তু একটি মিথ্যা পাকিয়ে তুলতে সময় লাগলো ৫ দিন, কারনটা স্পষ্ট, ১৩ তারিখ শুক্রবার কাজকাম নাই, যেহাদি চেতনা শুক্রবারে বেশী জাগে।
যদিও পিটুনি খাওয়া ছাত্রটি বারবার বলেছে তেমন কিছু হয়নি সুধু পিটুনি দিয়েছে। বড়রাও পাস কাটিয়ে গেছে।
মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিনও পাস কাটিয়ে গেছে, বলে – “কে বা কারা এখান থেকে মাইকিং করলো আমরা জানি না, মাইকে কি বলা হয়েছিল তাও মনে নেই”!
কিন্তু কান ধরে উঠবস ঘটনার ৪দিন পর BBC বাংলার আকবর হোসেন বন্দর এর রাস্তায় খুজে খুজে অপ্রাপ্তবয়ষ্কদের কথা সরাসরি ছাপিয়ে দিয়ে চরম উষানিমুলক অন্যায় করেছে। আমারদেশ পত্রিকার পত্রিকার মত হুবুহু ছাপিয়ে দিয়ে  মাহামুদুরের ভুমিকা রেখেছে।

BBC নিজ দেশে এটা কখনোই পারতো না। একটা শিশুবাচ্চার কথা ছাপিয়ে ধর্মিয় উষ্কানি দিতে আইন এলাও করত না।
অপ্রাপ্তবয়ষ্কদের কথা গুরুত্ত দিতে নেই। প্রচলিত আইনে অগ্রহনযোগ্য। ইসলামি আইনেও প্রাপ্তবয়ষ্ক দুই শাক্ষি লাগে।
সেই স্কুলছাত্র বলেছে, লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল কমিটির কাছে সুধু পিটুনির। বলেওছে শিক্ষক ধর্মের অবমাননা করে নাই, মূল ঘটনার দশ দিন পর বিবিসির আকবর বার বার শিশুটিকে জেরা করে মোটিভেটেড করে উলটা বলানো কোন নৈতিকতা।

ছাত্রটি তো ঘটনার দিনই লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল কমিটির কাছে, আসলে কমিটির লোকেরাই তাকে দিয়ে লিখিয়ে নিয়েছিল প্রধান শিক্ষককে এক হাত নেয়ার জন্যে। ঘটনাটি ‘ধর্মঅবমাননা’ নয় নিশ্চিতই। কারন তাহলে কমিটি এতবড় মোক্ষম সুযোগ হাতছাড়া করতো না। পরে ‘ধর্মঅবমাননা’ ঘটনা পরের ৪ দিনে পাকিয়ে তোলা হয়েছে।

আবার এক শুক্রবার এলো। হুজুরদের জেহাদি চেতনা আবার যেগে উঠল।
এখন বলছে – কানধরে উঠবস যথেষ্ট না, আরো শাস্তি চাই।

বিবিসির সেই রিপোর্ট, শিরোনামেই উষ্কানি – হিন্দু শিক্ষককে কান ধরে উঠ-বস:ঘটনার অন্তরালে