ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 


মুল হোতাদের ছেড়েদিয়ে ভাঙ্গা মটরসাইকেলের পিছে ছুটলে কোন লাভ আছে?
জংগীদের অর্থায়ন, হুকুমদাতা আর আইনি সহায়তা দানকারি বড় লিঙ্কগুলোকে জামাই আদরে মুক্ত রাখলে জংগিদমন কিভাবে হবে?
জামিনে মুক্ত সাকিলা গত বছর ধরাপড়ার পরপর জবানবন্দিতে বলেছিলেন, মামলা পরিচালনার জন্য তিনি টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু মামলায় জামিন না হওয়াতে টাকা ফেরত দেন। চট্টগ্রামের উসমান আমিন নামের এক মক্কেল শাকিলাকে মামলা চালাতে টাকাগুলো দিয়েছিলেন। পরে তিনি ঢাকার মনিরুজ্জামান নামের (হামজা ব্রীগেড নেতা) এক ব্যক্তির একাউন্টে টাকা ফেরত দেন। মনিরুজ্জামানকে শাকিলা চেনেন না।
মক্কেলের টাকা চট্টগ্রামে মক্কেলকে না দিয়ে কেন ঢাকায় হামজা ব্রীগেডের জঙ্গি মনিরুজ্জামানের একাউন্টে দিলেন, তার কোন জবাব পাওয়া যায়নি।
আদালতের নির্দেশনা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ‘শহীদ হামজা ব্রিগেড’-এর জন্য সংগৃহীত কোটি কোটি টাকার মধ্যে এই আইনজীবীর মাধ্যমে ১ কোটি ৮ লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। গ্রেফতারকৃত মনিরুজ্জামানসহ কয়েকজন জঙ্গির স্বীকারোক্তিতে ব্যারিষ্টার ফারজানা ও অর্থের মুল জোগানদাতা হিসেবে দুবাইয়ের নাগরিক আল্লামা লিবদির নাম জানা যায়।
জঙ্গি ফান্ডে টাকা আসছে দেশ-বিদেশ থেকে, এঞ্জিয় নামে বা মালবাহি কন্টেইনারে .. দেদারসে .. ধরাপরে দুএকটি।
এরকম মোক্ষম প্রমান পাওয়ার পরও যদি শাস্তি দেয়া না যায় এ জাতির পরিনতি এমনই থাকবে।