ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে ইকোনোমিষ্টের রিপোট সুস্থ সাংবাদিকতার প্রতি আমাদের ধারনাটিকেই পাল্টে দিল। একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের ওপর অন্য একটি দেশকে হস্তক্ষেপ করার পরামর্শ দেয়া কতটা সাংবাদিকতার নীতির মধ্যে পড়ে, তা ভেবে দেখার দরকার। ভারতকে হস্তক্ষেপ করার কথার ভেতর একটা চতুর বিদ্রুপাত্মক চাপা উল্লাস দেখা যাচ্ছে।
আবার উলংগ ভাবে জামাতের সাফাই –
A war-crimes tribunal now looks like an attempt to discredit the BNP and its Islamist allies.
তার মানেটা দাঁড়াচ্ছে.?

শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন মন্তব্য করে তাদের চরম একচোখা নীতি কেই আবারো তুলে ধরল। সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপারটা লক্ষ্য করা গেল সাগর রুনির ব্যাপারটা। ফেসবুকের জন্য জামাতের রিসার্চ উইং এ তৈরি একটি কাল্পনিক প্রতিবেদনটিকে সমর্থন করে বলে ফেললো –
দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধান করায়.!! সাংবাদিক দম্পত্তিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তারমানে তারা তদন্তও সমাপ্ত করে ফেলেছে.!

এর আগেও গত বছর ইকোনমিষ্টের দুটি প্রতিবেদন দেখলেও বোঝা যায় এসব ফরমায়েসি লেখা।

আগের সবকটি প্রতিবেদনেই প্রতিবেদনেই চতুরতার সাথে আসল জামাতি গান টা বাজানো হয়েছে …

“যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে একটি দলকে টার্গেট করে”

তার মানে তারা বোঝাতে চাচ্ছে নির্বাচনে জিতে হটাৎ করে দলটি বিরোধি পক্ষ কে যুদ্ধাপরাধী বানিয়ে ফেলেছে।

প্রতিবেদক কি এতোই অজ্ঞ যে জানতো না

“যুদ্ধাপরাধীদের বিচার” দলটির ১ নং নির্বাচনী অঙ্গিকার ছিল ?
আসামিরা নতুন কোন মুখ না, এরাই পালের গোদা। এই ফ্যাসিস্ট দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ যুদ্ধের শুরু থেকেই ছিল। পলাতক … নাগরিকত্ব পর্যন্ত বাতিল হয়ে ছিল। পরবর্তিতে ১৯৯৩ এ গণআদালতে ফাঁসি পর্যন্ত দেয়া হয়েছিল।

নামহীন প্রতিবেদনগুলোর লেখক কারা? লন্ডনে অবস্থিত সংগবদ্ধ আন্তর্জাতিক জামাতি চক্রটি খুবই সম্পদশালী। ইকনোমিস্টে ভাড়াটে লেখকের নামহীন প্রতিবেদন ছাপানো কি খুবই কঠিন। নেড়ি কুত্তারা আছে না? আরো আছে বিবিসির প্রাক্তন বর্তমানে কট্টর জামায়াতপন্থী (দাঁড়িবিহীন) একজন।