ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

 

আজ বাংলাদেশে স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিন থেকে ভারত বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার কারনে বাংলাদেশ সহজে স্বাধীনতা লাভ করে। এই কথা আমরা প্রগতিশীল কিংবা মুক্তমনারা সহজে স্বীকার করি। কিন্তু ভারত কি কারনে বাংলাদেশ সহযোগিতা করেছিল, সেটা আমরা আলোচনা করি না। যদি সেই বিষয়টা আমরা আলোচনা করি তাহলে দেখা যায়  ১৯৭১ সালে ৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতের বিমান ঘাটিতে হামলা না করত,তাহলে হয়তে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করত না। আবার যদি পাকিস্তান ভারতের কোন প্রদেশ হত তাহলেও ভারত বাংলাদেশকে সহযোগিতা করত না।সে সহযোগিতা বিনিময়ে দাদারা আমাদের সীমান্ত নিয়েছে, দাদারা আমাদের রাজনীতিতে দাত্রার ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছেন,আমাদের গঙ্গার জল নিয়ে নাটক করছেন,আমাদের হাজারো ফেলানীকে কাঁটা তারে ঝুলিয়েছেন এবং ফেলানী হত্যার বিচার নিয়েও প্রহসন করেছেন। দাদাদের পন্য দিয়ে আমাদেরকে ধন্য করেছেন। দাদাদের ইচ্ছে মত আমাদের বাজার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। বাজার আমাদের পন্য দাদাদের আবার বিক্রেতাও দাদারা। আর আমাদের পন্য দাদাদের বাজারে ঢুকতে হলে হাজারো শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন।দাদাদের চ্যানেল দিয়ে আমাদের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছেন। আর আমাদের চ্যানেল দাদাদের বাজারে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। আবার দাদাদের কলকতা থেকে বাংলাদেশে জঙ্গিদেরকে অর্থায়ন করছেন। দাদারা আমাদের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রন করছেন। দাদাদের অনুরাগ ঠাকুর আইসিসি সভাপতিকে বহিষ্কারের হুমকি দিতে ছাড়েননি। সর্বশেষ গত ১৯ই মার্চ  আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৫ তে ভারত আইসিসিকে দিয়ে এবং আমাদের চিরশত্রু  পাকিস্তানের আলীমদার এবং ইংল্যান্ড এর ইয়ান গোল্ডকে দিয়ে যে খেলা খেলে ছিলেন তা বিশ্ব ক্রিকেট ইতিহাসে স্বরনী হয়ে থাকবে। আজ সেই ২৬ মার্চ আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রের করুন পরিনতি দেখে বাঙালির মনে যে স্বতি বইছে তার জন্য আজ ভারতই দায়ী। আজ বাংলার পথ প্রান্তরে ভারতে করুন পরিনতি দেখে বাংলার মানুষ যে স্বস্থির নিঃশ্বাস নিচ্ছেন এতে ভারতের ক্ষতি না হতে পারে ভাল মোটেই হয়নি। ভারতের পরিনতি দেখে একটা কথা মনে পড়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে ইতিহাস থেকে কে’উ কিছু শিখে না। যদি শিখত তাহলে ভারত আইসিসিকে দিয়ে এমন নিলজ্জ্ব আচরন করত না।

মহি উদ্দিন (মহি)