ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত একটি বিদ্যাপীঠ। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রযেছে হাজারো ইতিহাস,ঐতিহ্য যা বাংলা তথা ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতি, সমাজনীতি এবং অর্থনীতির সাথে যুক্ত। এই বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীরাই বাংলা ভাষার জন্য জীবন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আন্তজার্তিক মাতৃভাষা হিসেবে। স্বাধীকার আন্দোলনের সূচনা এখান থেকে। বাংলা এবং বাঙ্গালীর সকল চেতনা এখান থেকে শুরু হতো। বাংলা সংস্কৃতি ধারক বাহক হিসেবে এই বিদ্যাপীিই প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।

কিন্তু ১৪২২ বঙ্গাদ্বে যে কলঙ্ক জনক অধ্যায়ের জন্ম এই বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীরা দিয়েছেন, তা সমস্ত জাতী আজীবন ঘৃনার সাথে স্মরন রাখবে বৈকি। ১লা বৈশাখ বাংলা তথা বাঙ্গালীর প্রানের উৎসব। আর এই উৎসবের অন্তপ্রান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনিষ্টিটউট। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে কিনা নারীর বস্ত্র হরনের মধ্য দিয়ে নববর্ষের উৎসব পালন করা হলো। বাঙ্গালী হিসেবে আজ আমরা ধীকৃত। যে বা যাহারা এই ধরনের ঘৃন্য আরচন করেছেন, তাদেরকে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি না দিলে হয়তো আমরা বিশ্ব দরবারে নিজেদেরকে আবারো অক্ষম হিসেবে পরিচিতি দিতে সক্ষম হবো।

যারা এই ধরনে কর্ম সংঘঠিত করেছে পুলিশ তাদের কাছাকাছি থেকে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেইনি বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর প্রকাশিত হয়েছে। যদি সংবাদটি সত্য হয়, তাহলে সারওয়ার্দী গেটে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্বেও ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে আমরা মনে করি। কারন রক্ষকের সামনে যদি রক্ষা না পাই, তাহলে আগামী দিনে ঢাবিতে ১লা বৈশাখের উৎসব আর প্রানের উচ্চ্বাস ফিরে পাবে না।

আমরা সাধারন জনগন হিসেবে সরকার এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে নিকট এই দাবী করা অমূলক হবে না যে, আমরা এই ধরনের ঘৃন্য জঘন্য অন্যায় আচরন আর দেখতে চাই না। নিশ্চশ সরকার এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই বিষয়ে সঠিক ও সমপযোগি ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

ছাত্র ইউনিয়ন নেতা লিটন নন্দী তার পাঞ্জারী দিয়ে যে বোনের আব্রু রক্ষা করেছিলেন,নিশ্চয়ই, আল্লাহ,দেশ, সমাজ তার অাব্রু রক্ষা করবেন। তিনি যে ভাবে সকল মহল থেকে প্রসংশা পাচ্চেন। এই প্রশংসা ভাগটা অন্যান্য ছাত্র সংঘঠন ও নিতে পারতেন। হয়তো সেটা তাদের কপালে ছিল না।

মহি উদ্দিন (মহি)