ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

গত ১৭ই জুন বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড(বিজিবি) চোরা চালানীদের ধাওয়া করতে করতে মিয়ানমার সীমানার কাছাকাছি চলে যায়। যার ফলে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি)র সাথে বন্ধুক যুদ্ধের এক পর্যায়ে বিজিপি বাংলাদেশের বিজিবি সদস্য আবদুর রাজ্জাককে অপহরন করে নিয়ে যায়। রাজ্জাকের অপহরনের পর স্বাধীন সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের বিজিবি সদস্যকে যেভাবে হাত কড়া পরিয়ে ছবি তুলে তাদের সরকারী ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে, এতে মনে হয়েছে মিয়ানমার পুরো রাঙ্গালী জাতিকে হাত কড়া পরিয়েছে। তাদের আচরন অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সমুচিত প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য না করা গেলেও বাংলাদেশে সাড়ে ষোল কোটি মানুষ সময়পযোগী প্রতিবাদ জানিয়েছে। অবশ্যই এক্ষেত্রে সরকার,বিরোধীদল,অন্যান্য প্রধান রাজনৈতিক দল এমনকি এদেশের তথা কথিত বুদ্ধিজীবিরাও সেরকম সোচ্চার হননি। অথচ গত বাবা দিবসে বিজিবি সদস্য আবদুর রাজ্জাক বাবা হয়েছেন। আবদুর রাজ্জাকের স্ত্রী একদিকে স্বামীর জন্য উদিগ্ন অন্য দিকে সন্তান প্রসব করছেন। এ যেন মাডার উপর খাডার ঘাঁ। মিয়ানমার বাংলাদেশের মত একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সাথে যে আচরন করছেন,এতে করে  তারা আন্তর্জাতিক সবধরনের আইন লঙ্গনতো করেছেনই এবং কঠোর শাস্তি যোগ্য অপরাধও করেছেন। কিন্তু কি অজানা কারনে বাংলাদেশ সরকার বসে বসে মিয়ানমারের এই দৃষ্টাতা প্রত্যক্ষ করছেন। যেখানে মিয়ানমার সাড়ে ষোল কোটি  মানুষের হাতে হাত কড়া পরিধান করেছেন,সেখানে আমরা মিয়ানমারের রহিঙ্গা পূর্নবাসনের জন্য আমদের দেশে জায়গা খুঁজছি। আমরা দৃঢভাবে বলতে চাই বিজিবি সদস্য আবদুর রাজ্জাকের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাড়ে ষোল কোটি মানুষকে মিয়ানমার যেভাবে অপমান করে সরকারী ওয়েবসাইটে প্রকাশ করছে,ঠিক সেভাবে বাংলাদেশ সরকার তার জবাব দিবে। এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আবদুর রাজ্জাককে ফেরত আনার যতগুলো ব্যবস্থা আছে খুব শীঘ্রই সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করবে।যাতে করে সদ্য প্রসূত আবদুর রাজ্জাকের পরিবারে নতুন সদস্য আগমনের খুশি ফিরে আসে।