ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

 

ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে খিলক্ষেত যেতে বাম পাশের রাস্তায় রয়েছে বেশ কিছু ম্যানহোলের ঢাকনা। যা ঢাকনা নয় তৈরী করা হয়েছে নির্ঘাত মরণ ফাঁদ হিসেবে। এরকম একটি ব্যস্ততম সড়কে রাস্তা থেকে প্রায় অর্ধ হাত উচুঁ করে ঢালাই দিয়ে ঢাকনা বসানোকে মরণ ফাঁদ ছাড়া আর কি বলা যায়।একের পর এক সড়ক দূর্ঘটনায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হচ্ছে। ক্রমেই এই ভাইরাস যেন আমাদের গ্রাস করছে।

সাধারণত রাস্তার বাম পাশ দিয়ে ছোট গাড়ী যেমন- প্রাইভেট কার,মটরসাইকেল ও সি.এন.জি চলাফেরা করে। আমি নিজেও একজন মটর সাইকেল চালক,চলন্ত অবস্থায় সামনে যখন এরকম ভুতুরে জায়গা চলে আসে তখন গাড়ী কন্ট্রোল করা কঠিন হয়ে পড়ে,আর তখনই দূর্ঘটনায় আহত বা নিহত হতে হয়। যেমন চলন্ত অবস্থায় এরকম উচুঁ বা গর্তকে হয় পাশ কাটাতে হয়, না হয় ব্রেক, আর না হয় উপর দিয়ে উঠিয়ে দেয়া। ব্রেক করলে পেছনের গাড়ির সাথে ধাক্কা,হঠাৎ পাশ কাটাতে গেলে পাশের গাড়ির সাথে ধাক্কা,আর উপর দিয়ে উঠিয়ে দিলে বোঝেন তো উল্টে নির্ঘাত দূর্ঘটনা ঘটকে পারে এবং ঘটছেও। বিশেষ করে মটরসাইকেল এবং সিএনজির জন্য এই রোড এখন মরণ ফাঁদ। এর জন্য কাদের দায়ী করব? ইঞ্জিনিয়ার? কন্ট্রাক্টর? নাকি সড়ক বিভাগের লোকজনদের। গত ৪/৫দিন আগেও এক সিএনজি এই টিলার সাথে বাড়ি খেয়ে উল্টে যায়। আহত হন একজন মহিলা আর বাচ্চা।

এ সড়কে চলতে গিয়ে অনেকেই গাড়ী থামিয়ে চিন্তা করেন-“এটা কি রে বাবা! টিলা না মাজার! এটা এখানে কিভাবে এলো?” যারা করেছেন তারা সাদা মনের মানুষ। তারা চেয়েছেন প্রতিদিন কোন না কোন দূর্ঘটনা ঘটুক। খিলক্ষেত পর্যন্ত রাস্তায় উচুঁ টিলা আছে ২/৩টি আর গর্ত আছে আরো ২/৩টি।

জরুরী ভিত্তিতে এই টিলাকে কেটে সমতলে রূপ না দিলে প্রতিদিনই ঘটতে পারে নানা দূর্ঘটনা, ঝড়তে পারে অনেক প্রাণ। সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে খিলক্ষেত যেতে বাম পাশের রাস্তায় রয়েছে বেশ কিছু ম্যানহোলের ঢাকনা। যা ঢাকনা নয় তৈরী করা হয়েছে নির্ঘাত মরণ ফাঁদ হিসেবে। এরকম একটি ব্যস্ততম সড়কে রাস্তা থেকে প্রায় অর্ধ হাত উচুঁ করে ঢালাই দিয়ে ঢাকনা বসানো কে মরণ ফাঁদ ছাড়া আর কি বলা যায়।একের পর এক সড়ক দূর্ঘটনায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হচ্ছে। ক্রমেই এই ভাইরাস যেন আমাদের গ্রাস করছে।

সাধারণত রাস্তার বাম পাশ দিয়ে ছোট গাড়ী যেমন- প্রাইভেট কার,মটরসাইকেল ও সি.এন.জি চলাফেরা করে। আমি নিজেও একজন মটর সাইকেল চালক,চলন্ত অবস্থায় সামনে যখন এরকম ভুতুরে জায়গা চলে আসে তখন গাড়ী কন্ট্রোল করা কঠিন হয়ে পড়ে,আর তখনই দূর্ঘটনায় আহত বা নিহত হতে হয়। যেমন চলন্ত অবস্থায় এরকম উচুঁ বা গর্তকে হয় পাশ কাটাতে হয়, না হয় ব্রেক, আর না হয় উপর দিয়ে উঠিয়ে দেয়া। ব্রেক করলে পেছনের গাড়ির সাথে ধাক্কা,হঠাৎ পাশ কাটাতে গেলে পাশের গাড়ির সাথে ধাক্কা,আর উপর দিয়ে উঠিয়ে দিলে বোঝেন তো উল্টে নির্ঘাত দূর্ঘটনা ঘটকে পারে এবং ঘটছেও। বিশেষ করে মটরসাইকেল এবং সিএনজির জন্য এই রোড এখন মরণ ফাঁদ। এর জন্য কাদের দায়ী করব? ইঞ্জিনিয়ার? কন্ট্রাক্টর? নাকি সড়ক বিভাগের লোকজনদের। গত ৪/৫দিন আগেও এক সিএনজি এই টিলার সাথে বাড়ি খেয়ে উল্টে যায়। আহত হন একজন মহিলা আর বাচ্চা।

আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে খিলক্ষেত সড়ক এর উপরই এরকম বেশ কয়েকটি উচুঁ এবং বড় গর্ত রয়েছে।

এ সড়কে চলতে গিয়ে অনেকেই গাড়ী থামিয়ে চিন্তা করেন-“এটা কি রে বাবা! টিলা না মাজার! এটা এখানে কিভাবে এলো?” যারা করেছেন তারা সাদা মনের মানুষ। তারা চেয়েছেন প্রতিদিন কোন না কোন দূর্ঘটনা ঘটুক। খিলক্ষেত পর্যন্ত রাস্তায় উচুঁ টিলা আছে ২/৩টি আর গর্ত আছে আরো ২/৩টি।

জরুরী ভিত্তিতে এই টিলাকে কেটে সমতলে রূপ না দিলে প্রতিদিনই ঘটতে পারে নানা দূর্ঘটনা, ঝড়তে পারে অনেক প্রাণ। সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।