ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

ঘটনাটি ঘটে গত ৩রা জানুয়ারী, উত্তরা জসীম উদ্দিন রোড চার রাস্তার মোড়ে দুপুর ২টার দিকে। আমার বন্ধু বাবু অফিস থেকে বেরিয়ে দাড়িয়ে ছিলো প্রিমিয়ার ব্যাংকের সামনে মেইনরাস্তার ফুটপাতের উপর। অপেক্ষা বাসের জন্য। হঠাৎ করেই একটি সাদা মাইক্রোবাস এসে থামে তার সামনে। দুই তিনজন লোক অস্ত্র হাতে নামে এবং তার পেছনে এবং পেটে তাক করে গাড়ীতে উঠতে বলে। পাবলিক প্লেসে যেভাবে অস্ত্র হাতে নিয়ে এসেছে তাতে যেকেউ এমনকি আমার বন্ধুটিও মনে করেছিল এরা ডিবি পুলিশের লোক। যাই হোক সে অসহায়ের মতো গাড়ীতে উঠলো। গাড়ীতে উঠানোর পরপরই তার হাত দুপায়ের সাথে হ্যান্ডকাপ দিয়ে আটকে দেয়া হলো। সেতো আরো নিশ্চিত হয়ে গেলো যে উনারা ডিবি পুলিশের লোক। মনে মনে চিন্তা করতে লাগলো যাক হয়তো কোন ভুল তথ্যের কারণে তাকে এ্যারেষ্ট করা হয়েছে। পরে সব জানতে পারলে ছেড়ে দিবে। চিন্তা করতে করতেই একজন তার সামনে এসে হাতের পিস্তলটির ম্যাগজীন (যেখানে বুলেট রাখা হয়) খুলে তাকে দেখায় আর বলে-“ এই গুলা আসল,নকল না, একদম চুপ থাকবি নাহলে বুজসতো” যা যা আছে সুন্দর মতো বের করে দে।” ততক্ষনে আমার বন্ধুটি বুঝে গেছে এরা তো ডিবি পুলিশ নয়, ছিনতাইকারী। ভেতরে ৪/৫জন বসা, সবার হাতেই পিস্তল। বন্ধুটি ভয়ে সব কিছু দিয়ে দিলো। তার সঙ্গে ছিলো অল্প কিছু টাকা এবং ২টি মোবাইল সেট। তবে তাকে মারধর করেনি তারা। সব কিছু নিয়ে ১ঘন্টার মতো ঘুরিয়ে জসীমউদ্দিন রোডের শেষ মাথায় নামিয়ে দিয়ে যায় তাকে।

ইদানিং উত্তরাতে প্রায়ই এধরনের ঘটনা ঘটছে। আমাদের দেশের আইনশৃংখলার অবস্থা এতটাই উন্নতি হয়েছে যে,আগে ছিনতাই হতো রাতে, আর এখন হয় দিনে দুপুরে।