ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের বেশ কিছু কিছু জনকল্যাণমূলক হীন কাজই তার প্রমাণ। আওয়ামি লীগের একজন অকাট্য সমর্থক মনে করেই বলিতেছি। আওয়ামি লীগের শত্রু আওয়ামি লীগ। কী প্রত্যক্ষ কী পরোক্ষ । যেমন:

01। মন্ত্রীপরিষদ: বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মন্ত্রীর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে পরস্পর মুখী বক্তব্য বা ব্যাখ্যাদান ।

02। ডক্টর ইউনূসকে নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মন্ত্রীর পরস্পর মুখী ব্রিফিং। এখানে ব্যাক্তি ইগো প্রচন্ড ভাবে কাজে লাগিয়েছে। যা আওয়ামি লীগের দলের জন্য প্রচন্ড ক্ষতি এবং দেশের জন্য তার চেয়েও বেশি ক্ষতি। বরং ডক্টর ইউনূস সরকার ব্যাবহার করলে দল ও দেশের অতীব উপকার হত।

03। আন্তর্জাতিক ভাবে বহির্বিশ্বে লবিং করতে ব্যর্থ হইয়াছে। যার পরিনামে বিশ্ব ব্যাংকের পদ্মা সেতুর অর্থের ছাড়ের এই দূরবস্থার।

04। শেয়ার মার্কেট নিয়ে পরস্পরমুখী ব্যাখ্যাদান। সরকার এবং দলকে এক কঠিন বিপদের মধ্যে ফেলেছে। এখানে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত সরকারবদলের ব্যবসায়ী গণ। তাতে বিরোধীদলের অনেকে জড়িত সত্য কিন্তু আওয়ামিলীগ ব্যবসায়ীগন উদার বেশী বিরোধীদলের ব্যবসায়ীদের প্রতি, যতনা দলের প্রতি উদার। বিরোধী ব্যব্সায়ীগণ সরকারী ব্যাবসায়ীদের মাথায় কাঠাল ভেঙে খাচ্ছে আর সরকারীদলের চাটুকার ব্যবসায়ীরা দলের চিন্তা তো করেই না দেশ তাদের নিকট অনেক দূর। এক শেয়ার মার্কেটের জন্য সরকারের 50% ক্ষতি হয়েছে এবং জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে।

05। প্রধানমন্ত্রীর মাননীয় উপদেষ্টামণ্ডলীর কয়েকজন সদস্য আরও বেশী বেপরোয়া।

06। মাঝে মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথা-বার্তা অসংলগ্ন যে কথাগুলো তিনি না বলে এড়িয়ে যাওয়ায় উত্তম। তাছাড়া বর্তমান সরকার দেশের জন্য ভালই কাজ করিতেছিল। সর্বোপরি উপরোক্ত কাজগুলোই সরকারের জন্য শাপেবর। ঐ কাজ গুলো সরকারের দায়িত্ব হীনতার জন্য আওয়ামি লীগই বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ আপনাপন পরিশোধ করিতেছে। যেমন পাপ আর পুণ্যে কাটাকাটি হই। আওয়ামী লীগের শত্রু আওয়ামী লীগ কারণ অনেক:

01। সুপ্রিমকোর্ট বার সমিতি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মধ্যে বিভিন্ন দল উপদলে বিভক্তি। যার পরিণাম পরাজয়।
02। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আওয়ামি লীগ পন্থী শিক্ষকরা পরস্পর বিরোধী ভোট যুদ্ধে নামে। যার পরিণাম পরাজয়।

তাছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্দোলন, রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলনে বিএনপির সাথী কাধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করছে আওয়ামি লীগ পন্থী সাংবাদিক নেতা, শিক্ষক নেতা বিভিন্নভাবে।