ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বাংলাদেশে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও এবং এখনো ষড়যন্ত্র চলছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপির মূল এজেন্ডা হচ্ছে দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও দেশ কী বিএনপির নিজস্ব সম্পদ? মানুষ কী বিএনপির সৃষ্টি তারায় মানুষ বাঁচাবে? বরং তারা দেশ তারা পরোক্ষ ধ্বংস করছে। দেশের জনগণ হত্যা করছে একের পর এক।

1975 পরবর্তী দেশে রাজনৈতিক ভাবে বহু মানুষ খুন করেছে এবং অনেক খুন করতে চায়। দেশে অনেক নজির আছে বিএনপি মানুষ খুন করার ওস্দাদ। তারাই খুনের পর খুন করে যাচ্ছে, একের পর এক দেশ ধ্বংসের হটকারী সিদ্ধবান্ত নিচ্ছে আবার তাদের মুখে “দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও” ডায়ালগ কী শোভা পায়? ছি! একেই বলে ভন্ডামির ভন্ড। তাদের খুনের ইতিহাস দেশ ছাড়িয়ে বিদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।

1975 সালে বঙ্গনন্ধুসহ পরিবার সদস্য ও সরকারী আর্মস বাহিনীর অনেক সদস্য খুনএর খুনিদের সুকোসোলে তাদের জীবিকার ও দেশ ছাড়তে নিরাপত্তায় তাদের সহযোগিতা করেছে। এর পর খুন করেন অনেক অনেক গত ক্ষমতায় পর্বে অল্প কিছু খুনের রাজনীতির চিত্র তুলে ধরব।

এক* 21 শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় ঘটনাস্থলে 24 জন।
দুই* শাহ এম এস কিবরিয়া হত্যা।
তিন* আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা।
চার* চিটাগাংয়ে বিএনপির ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন ও গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী হত্যা।
পাচঁ* খুলনায় আ.লীগ নেতা ইমাম হত্যা।
ছয়* যশোরে সাংবাদিক বালু হত্যা।
সাত* নাটোরে মমতাজ এমপি হত্যা।
আট* রাবিতে দুইজন শিক্ষক হত্যা।
নয়* ঢাবির শিক্ষক একজন খুন জামাতপন্থী।
দশ* ছাত্রদল ঢাকা মহানগরের দ.সভাপতি সগির কে খুন.

এগুলো উললেগ যোগ্য এছাড়া অনেক অনেক গরীব মাযের সন্তান খুন হয়েছেন।

আর আওয়ামিলীগ যেকোনো কাজে শুধু ষড়যন্ত্র খুজে ফেরেন। সব ষড়যন্ত্ খোজে থেকে দেশের জন্য কী করছেন? ক্ষমতায় থেকে যদি ষড়যন্ত্ নির্মূল করতে না পারেন বা ষড়যন্ত্ বলে দেশ সেবার কাজ থেকে পিছু হটেন তবে আপনাদের রাজনীতির দরকার নায়।

নিজের দলে সর্ষের ভূত রেখে কিভাবে ষড়যন্ত্ থেকে মুক্ত হবেন? ধামাধরা, দালাল, চামচা রেখে কী ষড়যন্ত্ মুক্ত হতে পারেন?

আওয়ামিলীগ এর সময় ও খুন হয়েছে বেশকিছু
তবে তুলনা মূলক ভাবে অনেক কম।

এই দুই দল শুধু রাজনীতির দলাদলি করে ফিরছেন এরা দেশকে কী দেবেন। একে অপরের দোষারোপ শুধু। এরা সবাই বাটপার।