ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বর্তমানে যুদ্ধাপরাধীর নিয়ে শাহবাগে যে আন্দোলন চলছে তার বিরুদ্ধেও আবার আন্দোলন চলছে। এমতাবস্থায় সরকার খুব বিচলিত তা স্বাভাবিক। তার চেয়েও বড় কাজ জামাতকে সুকৈশলে দমন ও নিয়ন্ত্রণ করা। জামাত খুব চাতুরী ও প্রয়োজনে নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করার কাজ করে থাকে। কখন কি করলে কাজ হবে জামাত ভাল করে জানে। জামাত বর্তমানে হরতালে পিকেটিং না করার কারণ আছে। জামায়াত যা যা চাই বা কামনা করে :-

01। ধর্মগতভাবে সরকারকে বিপদে ফেলতে চাই।

02। নিজেরা আ.লীগ বা সমমনা দলের মিছিলে বা অনুষ্ঠানে কোরআন বা ধর্ম নিয়ে কিছু অতিরঞ্জিত ডায়ালগ বা কথা বলানোর চেস্টা করবে। যেটা কিছু ধামাধরা বা বেঈমান আ.লীগ পন্থী নেতা কর্তিক করানো হবে সুকৈশোলে সেটা অর্থ বা ধর্মের ভয় দেখিয়ে হতে পারে।

03। তারা চাই ধর্মালয়ে আ.লীগ ও পন্থীদের কর্তিক আক্রমণ চাই যেটা দিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আকৃষ্ট করা এবং সরকারকে কাত করে চিট পটাং করা।

04। সে জন্য তারা শুক্রবারকে টারকেট করে চলছে। এদিন তারা অতি রঞ্জিত ধার্মিক দেখাতে যাবে বা পুলিশ প্রশাসনকে উসকানি দেবে যাতে পুলিশ তাদের আক্রমণ করতে প্রলোচিত হয়। এই আক্রমণকে তারা বহিরবিশ্বে ফলাও করে দেখাবে তাদের প্রতি ও ধারমিকের প্রতি সরকারের নির্যাতন। তাতে ইসলামীদেশগুলো তাদের প্রতি আরও সোহানুভূতি শীল হবে এবং সরকারকে আন্তরজাতিকভাবে কোন ঠাসা করবে।

05। তারা প্রয়োজনে তাদের কিছু কর্মী খুন করতে দ্বীধা করবেনা।

06। পুলিশ প্রশাসনে তাদের অনেক অনেক লোক আছে। তাদের মাধ্যমেও কিছু অতি দায়িত্বশীল দেখাতে যাবে সরকারকে খুশি করতে কিন্তু এথেকে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে।

07। জামাত কিছু মুসুল্লির লাশ চাই।

সরকারের সতর্কভাবে যা যা করনীয়:-
01। কেন্দরীয় থেকে শুরু করে সকল নেতার ধর্ম নিয়ে কথা এমনভাবে বলতে হবে যা দেশে কোনও ধর্মের আঘাত না লাগে।
02। পুলিশ প্রশাসনে অতি আ.লীগ দেঝানো বা প্রটেক্ট দেয়া পুলিশ থেকেও সতর্ক থাকতে হবে।
03। প্রত্যেক জেলা, থানাও সকল পর্যায়ে নেতাদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে যাতে কোনও নেতাকে তারা ব্যাবহার করার সুযোগ না পায়।
04। ধর্মকে নিয়ে কটুক্তি করা ব্লগারদের শপথ করানো ও তওবা করা তারা আর ধর্ম নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করবে না।

সরকারের উচিত ধর্মকে কেউ যাতে ব্যাবহার করতে না পারে সেদিকে সুনজর দেয়া।