ক্যাটেগরিঃ জনজীবন

রাস্তায় হাঁটার সময় মনে পড়ল আজ শুক্রবার রাস্তায় ভিখারী বেশি থাকবে,কত মিনিটে কতজন ভিখারীর সাথে দেখা হয়,সেটা খুব ভালো ভাবে মনে রেখেছিলাম। দেখি একটা অন্ধ ব্যক্তি আমার দিকেই এগিয়ে আসছে, কিন্তু তাহার হাতে একটি হ্যান্ড মাইক,অন্য হাতে তেলাপোকা মারার কিছু ঔষধ …… আমি লোকটিকে কিছুটা সময় অনুসরণ করলাম , লোকটি ভিক্ষা করতে পারত কিন্তু তিনি সেটা করছেন না, কিন্তু তার এই কাজের কতটা মূল্যায়ন আমরা করছি, একজন ভিখারিকে আমরা কতসহজেই সাহায্য করি, আর হয়ে যায় মানবতাবাদী মানুষ।

কোথায় কেউ তো এই ব্যক্তির কাছে থেকে একটা পণ্য নিয়ে সাহায্য করল না, পথশিশুরা যখন রাস্তায় হাত পাতে তখন ঠিকই দুইটাকার নোট একটি হাতে ধরিয়ে দেয়, ঐ শিশুটির মত অন্যএকটি শিশু যখন ঝালমুড়ি নিয়ে বসে থাকে তখন আমরা তার কাছ থেকে পণ্য নিয়ে তাকে সাহায্য করি না, তখন এই শিশুটার মনেই কি ধারণা জন্মলাভ করে, কাজের মূল্য/সন্মান বাঙ্গালী দিতে পারে না সেটা রাস্তা থেকে অফিস পযন্ত প্রমাণিত, তারপরও শিশুরা কাজ করবে, অন্ধব্যক্তিটি ভিক্ষা করবে না…. এরা এদের অমূল্যায়নকে অপমান বোধ করে না, এরা একটু কষ্টতেই ভেঙ্গে পরে না, এরা শতকষ্টেও হাসতে পারে। .এদের হাসিটা কতটা বেদনার তা আমরা কেউ বুঝতে পারি না……

এই শিশু গুলোর উচিত দেশে ক্রাইম বেড়ে দেওয়া, তাদের এই কষ্টের বুঝা সবাইকে নিতে হবে এটাই হওয়া উচিত তাদের জীবনের লক্ষ্য………….892102a2-c215-4a19-aa24-dfe302f077cf