ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

মোছাম্মাদ নাছিমা বেগম, চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানার অন্তর্গত ভেল্লাপাড়া গ্রামের ওমান প্রবাসি স্বামীর স্ত্রী। স্বামীর কষ্টার্জিত আয়ে পৈতৃক ভিটায় ঘর বানিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত বসবাস করিয়ে আসিতেছিল। নাছিমা বেগমকে তার চাচী ও চাচাতো ভাই-বোন অনুরোধ করে তার চাচাতো ভাইকে বিদেশে পাঠাতে। পরে নাছিমা বেগম তার স্বামীকে অনুরোধ করে তার চাচাতো ভাইকে নিজ খরচে (বিদেশে গিয়ে টাকা পরিশোধ করবে ) এই শর্তে তার চাচাতো ভাইকে ওমানে পাঠায় ও চাকরির ব্যাবস্থা করে দেয়। বিদেশে পাঠানো বাবদ পাওনা টাকা চাইতে গেলে শুরু হয় শত্রুতা । ঘরের সামনে গরু বেঁধে রাখে, ময়লা অবর্জনা ফেলে ও অযথা ঝগড়া সৃষ্টি ও গালা গালি করে। বাড়ীর গাছ কাটাসহ নানা ধরনের হয়রানি মুলক কাজ করে থাকে। বিদ্যুত সংযোগের অনুমতি পাওয়ার পরও বিদ্যুত সংযোগ লাগাতে পারছেনা। এমন কি তাকে উচ্ছেদ ও বসত ভিটা দখল করার উদ্দেশ্যে একটি ভুয়া দলিল তৈরী করে পটিয়া থানায় মামলা করে মামলা নং ১৪৬/১১

গত কিছু দিন আগে পুনরায় গাছ কাটিয়া নিলে সে (নাছিমা বেগম) পটিয়া থানায় শরণাপন্ন হয় এবং মামলা করে। পটিয়া থানার পুলিশ এসে মোঃ রাশেদ ও দিদারুল আলম কে ধরে নিয়ে যায়। কিন্তু পরে দিন তারা থানা হতে ছাড়া পায়। ছাড়া পাওয়ার পর তারা নাছিমা বেগমকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এখন নাছিমা বেগম তার ছোট দুইটি সন্তান নিয়ে নিরাপত্তার অভাবে এখানে সেখানে রাত্রি যাপন করছে। নাছিমা বেগমের মা ও ভাই-বোনেরা ঢাকায় থাকে তারা বাড়ীতে আসলে তাদের কেউ মেরে ফেলার হুমকি দেয়। মামলা চালাতে গিয়ে নাছিমা বেগম এখন নিঃস্ব অতি মানবতায় জীবন যাপন করিতেছে। বিষয়টি গ্রাম্য সালিশে কয়েক বার মিমাংসা হওয়ার পরও তারা মানছে না। বরং তারা গ্রাম্য সালিশে অংশ গ্রহণকারীদের টাকা পয়সা দিয়ে হাত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তাদের সাথেও খারাপ ব্যবহার করে। দেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারী। তাই নাছিমা বেগম একজন নারী হয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং তার পৈতৃক ভিটায় স্বামী ও ছোট দুইটি সন্তান নিয়ে নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করেতে পারে তার ব্যবস্থা করা হোক।