ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বিএনপির নেতা এম ইলিয়াস আলী ‘গুমের’ প্রতিবাদে রবি ও সোমবার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছেন এই দলটি। হরতাল মানেই গাড়ী ভাংচুর অগ্নী সংযোগ মানুষ হত্যা। ইলিয়াস আলীর কোন সন্ধান দিতে পারেনি সরকার। হরতালে আওয়ামীলীগের কর্মীদের মাঠে থাকতে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। বিএনপি হরতালে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারলেও আওয়ামীলীগের কর্মীরা তা ঠিকই করবে। পুলিশ প্রশাসনের উপর অস্থা নেই বর্তমান সরকারী দলের । তাই পুলিশ প্রশাসন নয়, সরকারী দলের ক্যাডারদের মাঠে থাকতে হবে এবং মাঠ গরম রাখতে হবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ। এমনিতে সরকারী দলের কর্মীদের নির্যাতনে সাধারন মানুষ নাজেহাল তার উপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ। আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুর্বল নয়, তাদের দুর্বল করে রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের মত করে কাজ করতে না দেওয়া এবং তাদের সদস্যদের পাশাপাশি নিজ দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঠে থেকে অরাজকতা-কারীদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সকল প্রশাসনকে অপমান করা হয়েছে । আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারে তার জন্য আওয়ামী কর্মী বাহিনীকে মাঠে রাখা। যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর সরকারের আস্থা না থাকে তাহলে বেতন দিয়ে সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পালছে কেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাদ দিয়ে আওয়ামীলীগ কর্মী বাহিনী দিয়ে সরকার দেশ পরিচালনা করতে পারে, এতে কর্মীদের কর্মসংস্থানও হবে। আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে কাজে নয়, শান্তিতে নয়, আওয়ামীলীগ কর্মী হবে। আসুন আমরা সাধারণ জনগন সরকারের কর্মীবাহিনীর উপর আস্থা রাখী হরতাল,অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের প্রতিহত করি এবং হরতাল অরাজকতা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি।