ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির ঘটনায় দেশ বিদেশে বাংলাদেশীদের ফেসবুকের পাতা গরম হয়ে উঠলো।আলোচনা,সমালোচনা,প্রতিবাদ ও আক্রোশে যখন ফুসে উঠতে লাগলো সমগ্র দেশ,ঠিক তখনি সোহগী জাহান তনু হত্যাকান্ড দশ কোটি ডলার লোপাটের গরম হাওয়াকে শীতল করে দিলো।শুরু হলো তনু হত্যা প্রতিবাদের ঝড়ো বাতাস।ব্লগার নাজিমুদ্দিন হত্যার ভেতর দিয়ে তনু হত্যার প্রতিবাদের বিষ ফোঁড়াকে প্রশমন করে আড়ালে চলছে হত্যাকারীদের সাধু সন্ন্যাসী বানানোর প্রক্রিয়া।এক একটি ইটের পর ইট গেঁথে যেমন অট্টালিকা তৈরী করা হয়, তেমনি এই সরকার একের পর এক অপকর্ম দক্ষ হস্তে মোকাবেলা করে এখন অপকর্ম দ্বারা অট্টালিকা বানিয়ে সুউচ্চে অবস্থান করে জনসাধারণের ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছে।তারা জানে দেশে যত বড় ঘটনাই ঘটুকনা কেন, সর্বোচ্চ সাত দিন মানুষ চিল্লা পাল্লা করবে,ব্যানার হাতে দাড়িয়ে থাকবে,পরে যার যার কাজে ফিরে যাবে এবং পরিবেশ স্বাভাবিক ও শান্ত অবস্থায় ফিরে আসবে।যেহেতু জনগণের ভোটে ক্ষমতা প্রাপ্ত নয় তাই জনগণকে জবাবদিহি করতেও তারা বাধ্য নয়।সুসভ্য সরকার ব্যবস্থায় মানব বন্ধন,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনগণের প্রতিবাদকে গুরত্ব দেওয়া হয় এবং এর ভেতর দিয়ে তাদের জনপ্রিয়তার ব্যাপারে সচেতন হয়ে যথাযত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের ভেতরে প্রবেশের পুনরায় চেষ্টা করে থাকেন।কিন্ত যে সরকারের উপর জীনের আছর রয়েছে তাদের কাছ থেকে কি মানব বন্ধন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখে কোন অধিকার আদায় করা সম্ভব?এমন সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং বশে রাখতে দরকার শক্তিশালী ওঝা এবং তার শুকনো মরিচ পুড়ানো ধোঁয়ার দাওয়াই।