ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

‘১২ মার্চ ভোট ও ভাতের লড়াই। বাধা দিলে এ সমাবেশ থেকেই একদফার লড়াই শুরু হবে।’ -বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

“তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি চাইলে করতে পারেন, তা না হলে, তার জবাব পাবে। কোনো রকম উল্টাপাল্টা করলে খবর আছে। “-প্রধানমন্ত্রী

এই দু’টো মন্তব্য ০২ মার্চ শনিবার দুটি অনুষ্ঠানে করা হয়েছে। প্রতিদিনই সংবাদ মাধ্যমের কল্যাণে প্রতিদিনই সরকারী এবং বিরোধীদলের নেতাদের মুখে পরস্পর বিরোধী এরকম মন্তব্য জনগণ শুনছেন। এসব শুনে তাদের মধ্যে আতংক তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক।

বিরোধীদল বলছে- জনগণের স্বার্থ রক্ষায় তারা আন্দোলন করছেন। জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য সব কিছুই তারা করবেন। আর সরকারী দল বলছে- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করা, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্থ করার জন্যই এই আন্দোলন।

সত্যি বলতে কী, রাজনীতিতে যারা যুক্ত নন, সেসব মানুষ এখন সামনের দিনগুলো নিয়ে আতংকে দিন কাটাচ্ছেন। পাণ্টাপাল্টি কর্মসূচীতে হতাশ হয়ে নানারকম অনিশ্চয়তাও তাদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে।

এটাই কী বাংলাদেশের নিয়তি। এই পাল্টাপাল্টি কর্মসূচীতে কাদের সমস্যা হচ্ছে? কাদের খবর হয়ে যাচ্ছে। মুলত: জনগণেরই। নিয়তির এই লিখন থেকে বের হওয়া কী জনগণের জন্য সম্ভব।

প্রিয় রাজনীতিবিদরা….আমাদেরকে রেহাই দিন। জনগণের ওপর যদি আপনাদের ভরসা থাকে—পাঁচ বছর পররপর জনগণের কাছে গিয়ে কাজের মূল্যায়ন চান। নিজেরাই জনগণের কথা বলে নিজেদের মতামত জণগণের ওপর চাপিয়ে দেবেন না। জনমতকে শ্রদ্ধা করুন। রাজনীতির বর্তমান ধারা থেকে বেরিয়ে আসুন:::::::::::::::::::: এই কথাগুলোই সাম্প্রতিক সময়ে সাধারন মানুষের মনের কথা

:::::::::আপনারা বুঝেও না বোঝার ভান করবেন আর কতদিন?