ক্যাটেগরিঃ ইতিহাস-ঐতিহ্য

 

‘বিদায়, হে মোর বাতায়ন-পাশে নিশীথ জাগার সাথী!

ওগো বন্ধুরা, পান্ডুর হয়ে এল বিদায়ের রাতি!

আজ হ’তে হ’ল বন্ধ আমার জানালার ঝিলিমিলি,

আজ হ’তে হ’ল বন্ধ মোদের আলাপন নিরিবিলি’।

(বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি)

১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রামের ডিসি হিলে বসেই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছিলেন তার পাঠক সমাদৃত জনপ্রিয় কবিতা, ‘বিদায়, হে মোর বাতায়ন …’।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বহু স্মৃতির সাথে উজ্জ্বল হয়ে আছে চট্টগ্রামের নাম। চট্টগ্রামে নজরুল এসেছিলেন তিনবার। অনেক জায়গায় ছিল কবির পদচারণা। অথচ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সেইসব স্মৃতি সংরক্ষণে নেই কোন কার্যকর পদক্ষেপ। একই সাথে কবির স্মৃতি-ধন্য চট্টগ্রামে ব্যাপকভাবে হচ্ছে না ‘নজরুল চর্চা’। ফলে যথাযথ ‘চর্চা এবং সুযোগের অভাবে এই অঞ্চলের নতুন প্রজন্ম ‘নজরুল ও তারঁ সৃষ্টিকর্ম’ নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোন সৃষ্টিশীল  কর্মকাণ্ড করতে পারছেন না।

অতঃপর প্রশংসনীয় উদ্যোগ:

চট্টগ্রামে ব্যাপকভাবে নজরুল চর্চা না হওয়া নিয়ে যখন নজরুল প্রেমীদের মধ্যে আক্ষেপ দেখা দিচ্ছিল তখনি অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। ২৫ মে ২০১৭, নজরুলের জন্ম জয়ন্তীতে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার সবগুলো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে কবি নজরুল ইসলামকে নিয়ে ১০ মিনিট আলোচনা করার নির্দেশ দিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।

18624522_1699683146710211_846149585_n

অবশ্য জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিটি স্কুলে নজরুল জন্মজয়ন্তী পালন উপলক্ষ্যে  ১০ মিনিট নজরুলের উপর আলোচনার আবেদন করেন চট্টল ইয়ুথ কয়ার নামে একটি সংগঠনের মহাসচিব অরুণ চন্দ্র বণিক। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন দপ্তর থেকে গত ১৬ মে জেলা শিক্ষা অফিসার এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে একটি চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে ‘ক্লাশ শেষ করার পূর্বে ৫ থেকে ১০ মিনিট’ নজরুল নিয়ে আলোচনা করতে নির্দেশনা দেয়া হয়। নিঃসন্দেহে এটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। সারাদেশের স্কুলগুলোতেও বিষয়টি অনুসরণ করা যেতে পারে।

চট্টগ্রামে নজরুল এসেছিলেন তিনবার:

নজরুল বিষয়ক বিভিন্ন গবেষণাপত্র পর্যালোচনা এবং নজরুল গবেষকদের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, চট্টগ্রামে নজরুল এসেছিলেন তিনবার। ১৯২৬, ১৯২৯ এবং ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে তিনবার সফরে এসে তিনি কমপক্ষে ৪৭ দিন (ভিন্ন মতও রয়েছে) চট্টগ্রামে অবস্থান করেছিলেন।

চট্টগ্রাম বসেই লিখেছিলেন তার অনেকগুলো জনপ্রিয় কবিতা। চট্টগ্রামে অবস্থানকালীন সময়ে এখানকার বহুস্থান কবির পদচারণায় ধন্য হয়ে আছে। এই সব স্থান বর্তমানে কেবলই স্মৃতি। এই সব দুর্লভ স্মৃতিগুলো সংরক্ষণ করে আগামী প্রজন্মের নিকট তা যথাযথভাবে তুলে ধরার কোন উদ্যোগই নেয়া হচ্ছে না।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র দৈনিক অজাদী (চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত) কর্তৃক প্রকাশিত ‘হাজার বছরের চট্টগ্রাম’ সূত্রে জানা গেছে, ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে রাজনৈতিক কাজে প্রথমবার চট্টগ্রাম এসেছিলেন নজরুল। ওইসময়  সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল তাঁর প্রতিভাকে। এ সংবর্ধনা সভার উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন অধ্যক্ষ কামাল উদ্দিন, মহিমচন্দ্র দাস, খান সাহেব আবদুস সাত্তার, রায় বাহাদুর কামিনি দাস, আবদুল খালেক চৌধুরী, হাবিবুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
প্রথমবার নজরুল যখন চট্টগ্রাম এসেছিলেন তখন তিনি সরকারি ডাকবাংলোয় উঠেছিলেন। পরবর্তীতে কবির অনুজ প্রতিম সুহৃদ হাবিবুল্লাহ বাহারের আমন্ত্রণে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল ইন্সপেক্টর খান বাহাদুর আবদুল আজিজের তামাকুমুন্ডিস্থ (চট্টগ্রাম শহরে) বাসভবনে উঠেন। নজরুলের ‘সিন্ধু’, ‘বাংলার আজিজ’ ‘কর্ণফুলী’ কাব্যে এবং ‘সিন্ধু হিন্দোল’ কাব্যগ্রন্থের উৎসর্গপত্রে এই চট্টগ্রাম সফরের কথা উল্লেখ রয়েছে।

১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভিক্টোরিয়া ইসলামি হোস্টেল ও মুসলিম শিক্ষা সমিতির (মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি) ত্রিশতম বার্ষিক প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য নজরুল দ্বিতীয়বার  চট্টগ্রাম আসেন। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নজরুল চট্টগ্রাম আসলেও ২১ জানুয়ারি নগরীর কাট্টলি ইউনিয়ন ক্লাবের উদ্যোগে তাঁকে সংবর্ধিত করা হয়েছিল। ওই সভায় নজরুল শিক্ষা ও সভ্যতা সম্পর্কে প্রায় দু’ঘন্টা বক্তব্য রেখেছিলেন। এ সভায় নজরুল একটি গানও পরিবেশন করেছিলেন।

এই সফরে নজরুল সন্বীপ উপজেলায় গিয়েছিলেন। ওখানে স্থানীয় কার্গিল স্কুলের মাঠে কবিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় নজরুল ওখানকার প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ কমরেড মোজাফ্ফর আহমেদের বাসায়ও গিয়েছিলেন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার ফতেয়াবাদ গ্রামের আলম পরিবারের বাসগৃহে কবি নজরুল বেড়াতে আসেন ২৫ জানুয়ারি ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে। তিনি সেখানে এক রাত ছিলেন। ২৬ তারিখ আলম পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি সংবর্ধনা গ্রহণ করে তিনি ফিরে যান শহরে। নজরুল দ্বিতীয় এই সফরকালে কবি চট্টগ্রামে বসে রচনা করেছিলেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি’ এবং ‘সম্মানের গান’। পরে তিনি সন্দ্বীপ নিয়ে লিখেছিলেন গীতিনাট্য ‘মধুমালা’।

চট্টগ্রামের রাউজানের জলিল নগরে ডেউয়া হাজীপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজন করা হয় ‘নিখিল বঙ্গ তরুণ কনফারেন্স ও শিক্ষা সম্মেলন’। ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত দু’দিনব্যাপী এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতেই নজরুল তৃতীবারের মতো চট্টগ্রাম এসছিলেন। প্রথম দিনের সভায় সভাপতিত্ব করেন তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার খান বাহাদুর আবদুল মোমেন। স্বাগত ভাষণ দেন ড. মুহম্মদ এনামুল হক। দ্বিতীয় দিন সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ, স্বাগত ভাষণ দেন যথারীতি ড. এনামুল হক। এই সম্মেলনে নজরুল বিরোধিতার অন্যতম ইন্ধনদাতা ‘মোহাম্মদী’ পত্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক নাজির আহমেদ চৌধুরীও যোগ দিয়েছিলেন। এ সম্মেলনে কবির গান ও আবৃত্তি শুনতে ভিড় জমিয়েছিল হাজারো নজরুলপ্রেমী।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কবিকে এক নজর দেখা কিংবা তার কণ্ঠে গান শোনার জন্য রীতিমত মেলা বসে যায় ওই এলাকায়। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ পায়ে হেঁটে, নৌকায়, গরুর গাড়িতে করে আসতে থাকে সম্মেলনস্থলে। ডেউয়া হাজী বাড়ির পাশে রায় মুকুট দীঘির উত্তর পাড়ে জনসাধারণের জন্য তৈরি করা হয় বিশাল প্যান্ডেল। হাজার হাজার মানুষের পদভারে মুখরিত হয়ে ওঠে এই জনপদ। মুশকিল হয়ে পড়ে ভিড় সামলানো। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে টিকিট কেটে কবি দর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন উদ্যোক্তারা। টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ টাকা, ৫ টাকা, ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা।

মূলত নজরুল  রাউজান এসেছিলেন তরুণ সংঘের আমন্ত্রণে। ওই সংর্ঘের নির্বাহী সদস্য ছিলেন প্রয়াত আবদুল কুদ্দুস মাস্টার। তার নাতনি শাম্মী শিল্পী তুলতুল নজরুল বিষয়ক এক নিবন্ধে লিখেছিলেন, ‘কবি নজরুল দুই রাত ছিলেন রাউজানের ঢেউয়া হাজি পাড়ায়’।

নজরুল বিষয়ক অন্যান্য গবেষণা সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম শহরের আন্দরকিল্লাহ শাহী মসজিদে তৎকালীন মোতোয়াল্লীর পক্ষ থেকে ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছিল। কোন কোন গবেষণায় দেখা গেছে, একই সফরের সময় নজরুলকে চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্র সংবর্ধনা দেয়া হয়। ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে কবি নগরীর রেয়াজুদ্দিন বাজারের তামাকুন্ডি লাইনস্থ খান বাহাদুরের বাসায় অবস্থান করেছিলেন। ওই সফরকালে কর্ণফুলী তীরে বেড়াতে গিয়েছিলেন।

চট্টগ্রামে নজরুল চর্চা কেমন হচ্ছে:

চিন্তায়-চেতনায়, আন্দোলন-সংগ্রামে সাথে আছেন নজরুল। এমনটায় দাবি, নজরুল প্রেমীদের। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, চট্টগ্রামে একদিকে নজরুলের স্মৃতিকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে না। অন্যদিকে চট্টগ্রামে ব্যাপকভাবে হচ্ছে না নজরুল চর্চা। নজরুলের বৈচিত্র্যের কারণে যে আধুনিক সঙ্গীত এসছে তার চর্চা ব্যাপকভাবে এখানে হচ্ছে না।

বিভিন্ন সময়ে এমন অভিযোগও উঠেছিল, নজরুলের চর্চা বাড়ানোর জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নজরুল গবেষণা কেন্দ্র’ চালু করা হলেও এই কেন্দ্রের উল্লেখযোগ্য কোন কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয় নি। অনেকেই দাবি করেছেন, এই অঞ্চলের সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক বিভিন্ন সংগঠনও নজরুল চর্চায় পর্যাপ্ত ভূমিকা রাখছেন না। একইসাথে এই অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও নজরুলের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ না হওয়ায় নতুন প্রজন্ম নজরুলকে যথাযথভাবে মূল্যায়নও করতে পারছেন না।

নজরুল চর্চা বাড়াতে প্রয়োজন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্তত নজরুলের জন্ম ও মৃতুবাষির্কীগুলোতে বিভিন্ন আয়োজন করা। এসব আয়োজনে নজরুলের সাহিত্য ও গান নিয়ে যদি সৃজনশীল অনুষ্ঠান হয় তবেই সত্যিকার অর্থে নজরুল চর্চা হবে এবং এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম জানতে পারবেন নজরুলকে।
নজরুল চর্চা প্রসঙ্গে বেশ কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাঙলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও নজরুল গবেষক এবং কুমিল্লাহর সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (চলতি দায়িত্ব) ড. মাহবুবুল হকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল।

তিনি বলেছিলেন, ‘চট্টগ্রামে তো নজরুল নিয়ে আলাদা কোন ইন্সটিটিউশন বা সংস্থা নেই। তবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুল গবেষণা কেন্দ্র আছে। কিন্তু এই গবেষণা কেন্দ্র থেকে বৃত্তি দেয়া, গবেষণা প্রবন্ধ বা পত্রিকা বের করা উচিত। যেগুলো ঠিকভাবে হচ্ছে না। নজরুলের গানের ক্ষেত্রে দেখেছি তা গাওয়া হয়, শিল্পীও আছেন। কিন্তু নজরুল নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে একটি ঘাটতি আছে বলে মনে হয়। যারা করছেন তারা বিচ্ছিন্নভাবে করছেন এবং বিচ্ছিন্নভাবে দুই-একটি প্রবন্ধ লিখছেন। কিন্তু বড় ধরনের কাজ হচ্ছে না। নজরুল তিনবার চট্টগ্রামে এসেছিলেন, এই তিনবার কবি কোথায় কোথায় গেছেন, কাদের সাথে গেছেন, কি কি কাজ করেছেন, ওই সময়টাতে কি কি সাহিত্য রচনা করেছেন সেগুলোর ওপর আলাদা কাজ হতে পারে। বড় ধরনের কাজ হতে পারে। ওই সময়ে তখনকার পুরোনো দিনের পত্রপত্রিকায় তাঁর কোন লেখা ছাপানো হয়েছে কীনা সেটাও দেখার বিষয়। কারণ সেই সময়ে তো এখানে অনেক পত্রপত্রিকা ছিল যেগুলো সংরক্ষিত হয় নাই। যদি গবেষণা করা হয়, সেগুলো সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয় তাহলে হতো কোন পুরোনো পত্রিকায় উপাদান পাওয়া যেতে পারে।’’

তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার অভিমত হচ্ছে, রাষ্ট্র এবং সামাজিক উদ্যোগের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে নজরুলের যে স্মৃতি তা সংরক্ষণ সম্ভব। যদিও অনেকেই মনে করছেন, কোন ব্যাক্তির পক্ষে নজরুলের স্মৃতি সংরক্ষণ সম্ভব নয়। এই ক্ষেত্রে রাষ্টীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকেই নজরুলের স্মৃতি সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে। একইসাথে নজরুলের সৃস্টিকর্ম সর্ম্পক নতুন প্রজন্মকে অবহিত করতে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে বাড়াতে হবে নজরুল চর্চা।

লেখক – মোরশেদ তালুকদার
স্টাফ রিপোর্টার , দৈনিক আজাদী (স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র)।