ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

লাভ লেইন। চট্টগ্রামের একটি সড়কের নাম। নামটির সঙ্গে প্রেমের আমেজ আছে।  প্রতিদিন কতশত লোক এ পথ পাড়ি দেন। এই রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে তাদের মনে হয়তো প্রশ্ন জাগে, এই সরু রাস্তা কি প্রেমের প্রবেশ কিংবা বাহির? এখানেই চলে কি হৃদয়ের লেনাদেনা?

লাভ লেইন  নামেই এবারের বইমেলায় প্রকাশ হলো ভাগ্যধন বড়ুয়ার একটি কাব্যগ্রন্থ। কবি যেন তার শব্দভুবনে প্রবেশদ্বারের নাম দিলেন ‘লাভ লেইন’।

আগের সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে কৌতূহলী পাঠক ইতোমধ্যেই মজেছেন এই কাব্যগ্রন্থের ১২০টি কবিতায়।

এই বইয়ের কবিতায় উচ্চারিত ভালোবাসার আকুতি-অনুভব কোনো সরুগলিতে আটকায় না, বরং উচ্চৈঃস্বরে প্রতিধ্বনি তোলে অন্তরে অন্তরীক্ষে।

যেমন কবির ভাষায়- তোমার সঙ্গে মনের মিলন তুমি আমার অনুভব/দমে দমে তোমায় জপি সত্ত্বা জুড়ে তুমিই সব।

একইভাবে আরেকটি কবিতায়ও তীব্র প্রেমের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে – তোমার চোখের সীমারেখায় স্বস্তি পাই/ তোমার হাসির প্রবল স্রোতে গা ভাসাই।

‘পৃথিবীর আলোয় ছন্দোবদ্ধ পদাবলীর যেদিন প্রথম জন্ম, সেদিন থেকেই কবিতার  প্রতি মানুষের কৌতূহল। আর এ কৌতূহলের টানেই  লাভ লেইনে মজে উঠবেন পাঠক। মগ্ন হবেন কাব্যের সুরে।

 

চট্টগ্রামের প্রকাশনা সংস্থা খড়িমাটি থেকে প্রকাশিত হয়েছে কাব্যগ্রন্থ লাভ লেইন। পেশায় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ভাগ্যধন বড়ুয়া কক্সবাজারের চকরিয়ার সন্তান। এটি কবির তৃতীয় গ্রন্থ। এর আগে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ দুটি হচ্ছে- ‘অপর পৃষ্ঠার বৃত্তান্ত’ (২০১৪) এবং ‘নদীর নিজস্ব ঘ্রাণ’ (২০১৬)।

নিজের তৃতীয় কবিতার বই লাভ লেইন নিয়ে ভাগ্যধন বড়ুয়া বলেন,  “ইংরেজি বানানে ‘লাভ লেন’ হওয়াটা যথাযথ হলেও একটি প্রতিষ্ঠিত সড়কের কথা মনে রেখেই ব্যবহারিক উচ্চারণের শব্দটিকে বেছে নিয়ে নামকরণ করেছি ‘লাভ লেইন’।

“আগের দুটি বইয়ের চেয়ে ‘লাভ লেইন’ আলাদা উল্লেখ করে বললেন, ‘প্রতিটি কবিতা ছয় লাইনের। ছন্দ, অন্ত্যমিল আছে।”

মন্তব্য ০ পঠিত