ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

আমি এ বিষয়ে বিশেষ কিছু অবগত নই। প্রশ্ন হতে পারে যে বিষয়ে অবগত নই সে বিষয়ে কেন লিখছি? লেখার কারণ এই- বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ের উপর একটি চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়েছিল ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে। বিষয়টি আমি অবগত হই আমার এক বড় ভাইতুল্য-ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব-সংগঠক রবিন ভাই ময়মনসিংহের সমন্বয়ক নির্বাচিত হওয়ার সুবাধে। সে যাই হোক-বিভিন্ন সময়ে তার নিকট জাতে পারি তারা কোন টাকা পয়সা না দিলেও কাজ দিয়েছেন ভালই। আমিও তার সাথে থেকে দৌড়া-দৌড়ি করে কিছু সহযোগিতা করি এ হিসেবে যে জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল আমরা সবাই ভোগ করছি।

সে যাই হোক আমার লেখার মূল বিষয় এ প্রতিযোগিতা আয়োজনকারিরা সারা দেশের ৬৪ জেলা ভ্রমন করে ভিডিও চিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে গতকাল এসেছিল ময়মনসিংহ। ৩ তারিখ রাত্রে এসে উঠেছিল ময়মনসিংহের সবচাইতে দামী হোটেলে যার এক রুমের ভাড়া সর্বোচ্চ ২২০০ টাকা পর্যন্ত। এরকম ৫টি রুম নিয়ে তারা ছিল। সকালে ময়মনসিংহের সমন্বয়কারী সহ সেই হোটেলে খোজ নিতে গেলে দলের প্রধান দরজাটা পর্যন্ত খোলার প্রয়োজন মনে করেননি। গেলাম প্রদর্শনীর জন্য নির্ধারিত স্থান টাওন হলের মাঠে। সেখানে আয়োজনকারীদের একজনকে পেয়ে (তার নাম সৈকত) কথা বলার এক পর্যায়ে খুব খারাপ আচরণ করলেন আমাদের সাথে। বিকালে প্রদর্শনীতে লোক হলো ৫০ জনের মত।

এখন আমার প্রশ্ন-

(১)ব্রিটিশ কাউন্সিল জড়িত যে আয়োজনে সেটাতে ৩য় বিশ্বের উপকার কতটুকু হতে পারে?
(২) যারা এখানে এসেছিল তারা প্রতিদিন যে পরিমাণ টাকা খরচ করছে তাতে আমাদের লাভ কী?
(৩)আমাদের লাভ কী এরকম যে দেখ ব্রিটিশরা আমাদের উপকার করতে চাচ্ছে।
(৪) এত বড় বেয়াদপ লোক কিভাবে এরকম আয়োজনের সাথে সামিল হলো?

একেবারে অগোছালোভাবে কথাগুলো বলা হলো একারনে যে, যেতে হবে ২০০০ মাইল কর্মসুচীর নামে সবার অলক্ষে একটা ধান্ধাবাজী হচ্ছে এটা বলার জন্য। কেউ এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে কত টাকা খরচে আমাদের কতটুকু লাভ হচ্ছে সকলকে তা জানালে দেশ উপকৃত হবে।