ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

জু জু ভান্তে…সাব্বে সাত্তা সুখিতা হন্তু!

ঊনবিংশ শতকের শেষ ভাগ থেকে আজ পর্যন্ত তিনটি ‘ইজম’ আমাদের হজম করতে হচ্ছে আর তা হল – ‪ক্যাপিটালিজম‬, ‪‎রিলিজিওনিজম‬, এবং ‪টেররিজম‬ ! মজার ব্যাপার হোল এই তিনটি ‘ইজম‘ একে অন্যের সম্পূরক কিংবা পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে! আর একটু ফিরে দেখলে, ৫০ এর দশক থেকে ৮০ এর দশক পর্যন্ত যে ‘ইজম’ আরও বেশী কার্যকারী ছিল তা হোল ‪ন্যাশনালিজম‬!

গোষ্ঠী কিংবা শ্রেণী স্বার্থের প্রয়োজনে যখন যে ‘ইজম’ দরকার তাকে অস্ত্র করা হচ্ছে! এবং আমরা ঠিক একই ভাবে যখন আমার বা আমাদের কাছাকাছি কোন শ্রেণী স্বার্থ হুমকির মুখে পড়ে তখনি সরব হয়ে উঠি!

যে ফল টা খুব দ্রুত হয় তা হোল সংবাদপত্রের কাটতি বাড়ে, টেলিভিশনের রেটিং, সোশাল মিডিয়ায় পেইজ ভিউ; আর কি? ও হ্যাঁ সেই সাথে সংবাদপত্রের কলামে কলাম লেখক দের বাড়তি লেখা তথা…

যেমন টি মাত্র পড়লাম প্রথম আলো পত্রিকায় ‘অভিজিৎ হত্যা’ নিয়ে শিরোনাম –

আপনারা চুপ করে থাকবেন না, কিছু বলুন! লিখেছেন ‪‎ড. কাবেরী গায়েন‬: শিক্ষক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

‪লেখার শুরুটা ছিল –

“আজও ফেব্রুয়ারি। আজও রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার বিস্তার। বইমেলার মাস এখনো শেষ হয়নি। এবং স্থানটি এ দেশের অহংকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই চত্বর। অল্প শীতের রাতে যুক্তিবাদী লেখক অভিজিৎ রায় প্রিয়তম সহযোদ্ধা ব্লগার বন্যাকে সঙ্গে নিয়ে মাত্র কয়েক দিনে শেষতম বইয়ের কাটতি দেখে বড় খুশিমন নিয়ে ফিরছিলেন ঘরে।”

একটা ছোট প্রশ্ন – প্যাথোস (Pathos) কি জরুরী ছিল খুবই? রেতরিক (Rhetoric) সৃষ্টিতে?

আমরা চুপ থাকতে চাইনা, কিন্তু পূর্বসূরিদের ম্যানিপুলেশন উত্তরপুরুষের দগদগে ক্ষত হয়ে থাকুক; তাও চাইনা!

লেখার উত্তর লেখা দিয়েই দিতে হবে, চাপাতির কোপে নয় ঠিকই; তেমনি মুক্ত বুদ্ধি চর্চায় মুক্তির উচ্চস্তরে পৌঁছোবার নেশায় দিগম্বর হয়ে অন্য মতবাদকে কটাক্ষ তথা সূক্ষ্ম ম্যানিপুলেশনও কাম্য নয়!

একটাই কামনা –

জু জু ভান্তে…সাব্বে সাত্তা সুখিতা হন্তু! …জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক, সকল প্রকার দুঃখ হইতে মুক্তি লাভ করুক..