ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

ভারতীয় এমপিদের আরও চাই, আরও…

ভারতের ৬০ ভাগ মানুষের দু’বেলা পেট ভরে শাক-ভাত না জুটলেও ‘বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের’ নির্বাচিত সাংসদদের জন্য কার্যত বিনামূল্যে রাজকীয় খানাপিনার বন্দোবস্ত আছে সংসদের ক্যান্টিনে। মুদ্রাস্ফীতির জেরে বিশ্বের সর্বত্র প্রতিনিয়ত জিনিসের, বিশেষ করে ভারতে খাদ্যসামগ্রীর দাম লা‍‌ফিয়ে লাফিয়ে বাড়লেও সংসদের ক্যান্টিনে তার কোনও প্রভাব পড়ে না। মুদ্রাস্ফীতির ছোবল থেকে দরিদ্রতম কোন পরিবারও ছাড় না পেলেও সংসদের ক্যান্টিনে তার প্রবেশাধিকার নেই। কেননা সেখানে ভূরিভোজ করেন দেশের নীতি নির্ধারক ও আইনপ্রণেতারা।

চিপসের সঙ্গে ফিশফ্রাই ২৫ টাকায়। মাটন কাটলেট ১৮ টাকা। পাঁঠার ঝোল ২০ টাকা।‌ সবজি ভাজা ৫ টাকা। সবজির স্ট্যু ৪ টাকা। মশলা ধোসা ৫ টাকা। সংসদের পাঁচটি ক্যান্টিনে এখনও এই দামেই মেলে খাবার। ২০১০ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে বাড়েনি খাবারের দাম৷‌ বাড়ানো হয়েছে ভরতুকি।গত পাঁচ বছরে এমপিদের খাবারে ৬০ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা খয়রাতি দেওয়া হয়েছে সরকারের কোষাগার থেকে। মোট পাঁচটি ক্যান্টিনে মেলে প্রায় ৭৬ ধরনের খাবার। তার মধ্যে এক–একটিতে ভরতুকির পরিমাণ ৬৩ থেকে ১৫০ শতাংশ। পেট্রোল-ডিজেলের উপর থেকে ভরতুকি তুলে সাহসী সংস্কার করেছে সরকার। রান্নার গ্যাসের ভরতুকি ছেড়ে দেশ গঠনে সামিল হওয়ার ডাক দিয়েছে। অথচ, সংসদের ক্ষেত্রে তারা হাত গুটিয়ে। সরকার ভরতুকি দেয় বলে, লোকসভা ও রাজ্যসভার এমপিরা এক প্লেট মাটন কারি খেতে পান মাত্র ২০ টাকায়। থ্রি কোর্স আমিষ থালি খেতে হলে দিতে হয় ৩৩ টাকা। দু’টোই বাজার দরের থেকে অনেক কমে। বাজার দরে শুধু বিক্রি হয় খোমানি মিষ্টি। তিনটের দাম ১৫ টাকা। এক মাত্র রুটি বেচে যৎসামান্য মুনাফা থাকে উত্তর রেল কর্তৃপক্ষের। সংসদের ক্যান্টিন পরিচালনা করে এই উত্তর রেলই। ১ টাকায় যে তাওয়া রুটি বিক্রি হয়, তা তৈরি করতে খরচ পড়ে ৭৭ পয়সা।

এমপিদের জন্য, যাঁদের মাসিক বেতন ৫০ হাজার টাকা। আর সংসদের অধিবেশনে যোগ দিলে বাড়তি ২,০০০ টাকা ভাতা। সেই এমপিদের খাবারের জন্য সরকারের ভরতুকির বহর কতটা, তা জানতে সম্প্রতি সুভাষ অগ্রবাল নামে এক সামাজিক আন্দোলনকারী তথ্যের অধিকারের আওতায় মামলা করেছিলেন। তার জবাবে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সংসদের ক্যান্টিনে এক প্লেট পুরি-তরকারির দামে ৮৮ শতাংশ ভরতুকি দেয় কেন্দ্র। এমপি বা সংসদের যে সদস্যরা মাসে ১ লক্ষ ৪০ হাজার বা তার বেশি টাকা রোজগার করেন, তাঁরা এক প্লেট ‘ফ্রায়েড ফিশ উইথ চিপস্‌’ কেনেন মাত্র ২৫ টাকায়। মাটন কাটলেট পান ১৮ টাকায়। মশলা দোসা খান ৬ টাকায়। প্রতিটি খাবারের ক্ষেত্রেই বিপুল পরিমাণ ভরতুকি দেয় কেন্দ্র। বাজারদরের তুলনায় ক্যান্টিনে যে জলের দরে খাবার পাওয়া যায়, তা এ থেকেই পরিষ্কার। তবে যে দেশে পানীয় জলও বিনামূল্যে পাওয়া যায় না, সেখানে সংসদে এই স্বজনপোষণ কেন, প্রশ্ন তুলেছেন সুভাষ অগ্রবাল। তাঁর কথায়, ‘‘বর্তমান সরকার যেখানে ভরতুকি দেওয়ার রীতি সংস্কারের পক্ষে সওয়াল করছে, তখন সংসদের অন্দরেই এই দ্বিচারিতা কেন?’’

সংসদের ক্যান্টিনে ২০০৯-১০ অর্থবর্ষে ১০ কোটি ৪০ লক্ষ, ২০১০-১১-এ ১১ কোটি ৭০ লক্ষ, ২০১২-১৩ সালে ১২ কোটি ৫০ লক্ষ এবং ২০১৩-১৪ সালে ১৪ কোটি টাকা ভরতুকি দিয়েছে কেন্দ্র। হিসেব বলছে, ভেজিটেবল স্ট্যু তৈরির উপকরণের বাজারদর প্রায় ৪২ টাকা। আর সেই খাবার মাত্র ৪ টাকায় কিনছেন সাংসদেরা। অর্থাৎ ভরতুকির পরিমাণ প্রায় শতকরা ৯০ শতাংশ। মাছ, মাংস হোক বা ভাত-রুটি-বিরিয়ানি— সংসদের ক্যান্টিনে খাবার পাওয়া যায় সুলভে।

সাম্প্রতিক বাজেটে হোটেল রেস্তোরাঁয় খাবার ও পানীয়ের ওপর ১৪ শতাংশ পরিষেবা কর চাপিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। কিন্তু শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সংসদে খাবারের ওপর এ ধরনের কোনও করই নেওয়া হয় না। অর্থাৎ জনগণের ওপর কর চাপালেও নিজেদের এ ব্যাপারে চাপ মুক্তই রেখেছেন এমপিরা।

২০১৪ সালের জুন-জুলাই নাগাদ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার প্রাক্তন গভর্নর সি রঙ্গরাজনের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি কেন্দ্রকে দেওয়া রিপোর্টে জানিয়েছিল, দেশের কোনও মেট্রোপলিটন শহরের বাসিন্দার যদি দিনে ৪৭ টাকা খরচের সামর্থ্য থাকে, তবে তাঁকে মোটেও দরিদ্র বলা যায় না। আর গ্রামের বাসিন্দাদের দারিদ্রসীমার মাপকাঠি ছিল ৩২ টাকা। সে সবের পরেও দেশের একটা বড় অংশ দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেন। অর্থাৎ, তাঁদের দিনে ৩২ টাকা খরচ করার সামর্থ্যও নেই। সেই হতদরিদ্রদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই কার্যত বিনামূল্যে চর্ব্য-চুষ্য-লেহ্য-পেয় উপভোগ করছেন পেটপুরে। আর সেই খাবারের ভরতুকি জোগাচ্ছে আম জনতার করের টাকা!

বিতর্কটা নতুন নয়। ব্যাপারটা ঘুরে ফিরে আসে। দু’দিন তর্ক হয়। ট্রেনে বাসে মানুষ সমালোচনা করেন। তার পর ভুলে যান। বাজপেয়ি-জমানাতেও এক বার এ নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল! কিন্তু পরে সংসদে আর প্রস্তাব আসেনি। শুধু বাজপেয়ী-জমানা কেন, অতীতে শিল্পপতি কে কে বিড়লা যখন রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন, তখনও এক বার ভরতুকি তোলার কথা ওঠে। তখন কে কে বিড়লাও বলেছিলেন, ‘‘এমপি হিসেবে বেতন বৃদ্ধি পেলে যেমন বলতে পারি না, বেতন নেব না,  সে রকম ভরতুকি দেওয়া খাবার যদি সংসদে বহাল থাকে, তা হলে বলতে পারি না, বেশি পয়সা দিয়ে সেই খাবার কিনব।’’

তবে কে কে বিড়লার মতো সাহসী মন্তব্য কোনও এমপিই আজ করেননি। বরং কংগ্রেস, বাম, তৃণমূল নির্বিশেষে এমপিরা আজ মেনে নেন, ব্যাপারটা ঠিক নয়। সঙ্গতও নয়। কিন্তু এই দাবি এতদিন সংসদে কেউ তোলেননি কেন? মাস তিনেক আগে সংসদ-ক্যান্টিনে মধ্যাহ্নভোজ সেরেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ভাত, রুটি, রাজমা, সার্সো কা সাগ, আলুর তরকারি আর দই খেয়েছিলেন তিনি। দাম পড়েছিল ২৯ টাকা। কই, তিনিও তো কোনও প্রশ্ন তোলেননি? আসল প্রশ্ন ওটাই। মাথা ঘামাবেন কে? কে-ই বা বেড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবেন।

এখানেই শেষ নয়! সম্প্রতি নিজেদের বেতনের পরিকাঠামোয় সংস্কার এনে উন্নত দেশের সমপর্যায়ে উঠতে সরব হয়েছেন এমপিরা।

সংসদীয় কমিটির মাথায় আছেন বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ।‌ কমিটির সদস্য সংখ্যা ১৫।সংসদীয় কমিটির সুপারিশে বলা হয়, এমপিদের বেতন বাড়ানোর বিষয়টি বহুদিন ধরে ঝুলে আছে। ৫০ হাজার থেকে এক ধাক্কায় তাঁদের বেতন এক লক্ষ টাকা করতে হবে। প্রাক্তন এমপিদের পেনশন ৭৫ শতাংশ বাড়ানো হোক।কমিটি আর যে যে সুপারিশগুলি করে তার মধ্যে ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি ছাড়াও আছে একটি ল্যান্ডলাইন ফোন থেকে ৫০ হাজার বিনামূল্যে কল, বিনামূল্যে ৫০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ এবং বিনামূল্যে ৪ হাজার কিলোলিটার জল। ২০০০ টাকার দৈনিক ভাতাকে (অধিবেশন চলাকালীন) বাড়িয়ে করতে চাওয়া হয়েছে চার হাজার। সুপারিশে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারি স্বাস্হ্য প্রকল্পের যে সুযোগসুবিধে এমপিরা পেয়ে থাকেন তা যেন তাঁদের ছেলে-মেয়ে ও নাতি-নাতনিরাও পান। কিছু এমপি কমিটিকে জানান যে ট্রেনে সফরের সময় তাঁদের প্রথম শ্রেণীর টিকিট দিয়ে তাঁদের সঙ্গী অথবা স্বামী কিংবা স্ত্রীদের দ্বিতীয় শ্রেণীর টিকিট দেওয়া হচ্ছে। কমিটি সুপারিশ করে, এমপি-সঙ্গীদেরও প্রথম শ্রেণীর টিকিট দেওয়া হোক। এবং প্রাক্তন এমপি ও তাঁদের স্বামী বা স্ত্রীদেরকেও দেওয়া হোক প্রথম শ্রেণীর টিকিট। এমপিরা সুযোগ সুবিধার যে বহর চেয়েছেন, তা যে কোনও উন্নত দেশের থেকেও বেশ বাড়তি। এই সব সুপারিশ সরকার গ্রহণ করেনি।‌ এছাড়া সরকার যে সব সুপারিশ মেনে নেয়নি তার মধ্যে আছে, প্রাক্তন এমপিদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট, ট্রেন সফরে এমপি-সঙ্গীকে এ সি-প্রথম শ্রেণীতে সফরের সুবিধে, এমপি বিদেশে গেলে স্হানীয় টেলিফোনের সুবিধে, প্রাক্তন এমপিদের সঙ্গী বা স্বামী-স্ত্রী সহ এ সি-প্রথম শ্রেণীতে সফরের সুবিধে, সংসদদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য ক্যান্টিনের সুবিধে দেওয়া।তাই, এমপিরা তুলনা শুরু করেছেন ব্রিটেন, আমেরিকা এবং জার্মানির পার্লামেন্ট-সদস্যদের বেতনের সঙ্গে! ভারতের সঙ্গে এই দেশগুলির আর্থসামাজিক বৈষম্য যাই থাকুক না কেন, এ দেশের এমপিরা চান তাঁদের মাইনে যেন সমান হয়! অথচ বাকি সমস্ত নিরিখে ভারত কিন্তু এই সব দেশের থেকে বহু বহু গুণ পিছিয়ে। অর্থনৈতিক ভাবে তো বটেই, সামাজিক ভাবে এবং সর্বোপরি উন্নয়নের মাপকাঠিতেও কোনও তুলনাতেই আসে না। কিন্তু, নিজেদের কথা বলতে গিয়ে এ সবের কোনওটির না উল্লেখ করে এ দেশের এমপিরা শুধু নিজেদের মাইনের উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আমরা কত্ত পিছিয়ে!’ দাবি, সরকারি কর্মচারীদের মতো তাঁদেরও নিয়মিত ভাবে বেতন বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিশেষ কোনও পদ্ধতি মেনে চলুক সরকার।

পূর্ণ সাংমা লোকসভার স্পিকার থাকাকালীন এমপিদের বেতন বাড়ানো নিয়ে আলোচনায় তোলপাড় হয়েছিল। বামেরা প্রস্তাবে আপত্তি করেছিলেন। আর তা শুনে কংগ্রেসের তৎকালীন মুখ্য সচেতক সন্তোষমোহন দেব বলেছিলেন, ‘‘ঠিক আছে আপনারা না হয় বর্ধিত বেতন নেবেন না! প্রতিবাদও করবেন, বেশি বেতনও নেবেন, হয় নাকি!’’ তারপর বেতনবৃদ্ধি হয়েছে। বামেরাও নিয়েছেন। খাবারে ভরতুকি ট্র্যাডিশনও চলছে সমানে।

সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর যে সুপারিশ করা হয়েছে তাতে একজন এমপির পেছনে সরকারকে খরচ করতে হবে প্রায় এক কোটি টাকা। প্রশ্ন হলো এমপিদের পেছনে সাধারণ মানুষের করের টাকা এভাবে খরচ হবে কেন? কেনই বা এমপি পদ হবে একটি অতিমাত্রায় অর্থ উপার্জনের পেশা? সত্যিই কি এমপির অর্থাভাব আছে? বর্তমান এমপিদের বেশিরভাগই কোটিপতি। অল্প কিছু বাদ দিলে সকলেরই ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিপুল আয়ের বন্দোবস্ত আছে। অনেকেরই সম্পদ বছরে দ্বিগুণ হারে বাড়ে। ভারতের সংসদীয় ব্যবস্থায় বুর্জোয়া দলগুলি এমন সব ব্যক্তিদের প্রার্থী মনোনয়ন করে যাদের অর্থশক্তির জোর এবং সমাজে প্রভাব বিস্তারের সামর্থ্য না থাকলে এমপি হওয়া কঠিন। ফলে সমাজের বিত্তবানরাই প্রধানত দখল করে সংসদ। এঁরা ব্যক্তিগত ব্যবসা বা পেশার মতো এমপি পেশাটাকেও ব্যবহার করতে চায় অর্থ রোজগারের হাতিয়ার হিসেবে। তা না হলে এমন দৃষ্টিকটুভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনি‍ধিরা নিজেদের বেতন ভাতা বাড়ানোর উমেদারি করতে পারতেন না।

কোন সঙ্গত কারণে এইভাবে বেপরোয়া বেতন-ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব আসেনি। বিশ্বে বিভিন্ন দেশে এমপিদের আয় বৃদ্ধির বিভিন্ন নিয়ম আছে। কোথাও জি ডি পি বৃদ্ধির হারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বাড়ে। কোথাও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বাড়ে। অথচ এদেশে কোন ন্যায়সঙ্গত বা যুক্তিগ্রাহ্য কোন নিয়ম নেই। শ্রমজীবী মানুষের ন্যূনতম মজুরি ১০ শতাংশ বাড়াতে যারা বাধা দেয় তারা নিজেদের বেতন ১০০ শতাংশ বাড়াতে দ্বিধা করে না। যারা পেনশন তুলে দিতে বক্তৃতা দেয় তারা নিজেদের নির্দায় পেনশন দ্বিগুণ করতে চায়। এরাই আমাদের এমপি, জনপ্রতিনিধি। দণ্ডমুণ্ডের কর্তা।

 

ভারতীয় এমপিদের বেতন বৃদ্ধি হয়েছে তিনবারের বেশি‌।

  • ২০১০ সালে এমপিদের বেতন বেড়ে ১৬ হাজার টাকা থেকে দাঁড়ায় ৫০ হাজার টাকা।
  • ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত মাসিক বেতন ছিল ১ হাজার টাকা।
  • ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৬–এর মধ্যে হয় ১,৫০০ টাকা।
  • ৪ হাজার টাকা হয় ১৯৯৮ থেকে ২০০১-এর মধ্যে।
  • পরের ধাপে অনেকটা বাড়ে। ১২ হাজার টাকা ২০০১ থেকে ২০০৫-এর মধ্যে।
  • ২০০৬ থেকে ২০০৮ বেতন হয় ১৬ হাজার।
  • এই মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির বেতন হল মাসে ১.৫ লাখ টাকা। উপরাষ্ট্রপতি ১.২৫ লাখ প্রতি মাসে।
  • রাজ্যপালরা মাসে ১.১০ লাখ।
  • প্রধানমন্ত্রীর বেতন এমপিদের সমান। কিন্তু তিনি অতিরিক্ত কিছু পার্কসও পান।