ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

গত ৩১ জুলাই ২০১২ হোটেল বলাকার কর্মচারী জিএফএটিএম আরসিসি প্রকল্পের অধিনস্ত পাবনা ডিআইসির বেনিফিসারিস লুৎফর ওরফে লুতু হোটেলে কর্তব্যরত অবস্থায় খুন হয়েছে। পাবনা ডিআইসির মাদার লিষ্টে ৪৪৩৬০ নং আইডিতে তার নাম নিবন্ধিত আছে। ৩১ জুলাই ২০১২ দুপুর ২টার দিকে ৫/৬ জন চাঁদাবাজ হোটেল বলাকায় চাঁদা চাইতে এলে লুৎফর তাদের বাধা দেয়। এ সময় চাঁদাবাজদের ১জনের ধারালো ছুরির আঘাতে লুৎফরের কিডনির নিকটে মারাত্তক জখম হয়। এরপর হোটেলের অন্যান্য কর্মচারীরা চাঁদাবাজদের ধাওয়া করলে ১জন ছাড়া বাকিরা পালিয়ে যায়। পুলিশ চাঁদাবাজি ও খুনের ঘটনায় সম্রাট নামের ১ যুবককে ঘটনাস্তল থেকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদিকে লুৎফরকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হলে ১ আগষ্ট ১০১২ দুপুর ২টা নাগাত কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা এদিকে লুৎফরের খুনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের শাস্তি দাবি করেছে পাবনা ডিআইসির ম্যানেজার কলিম উদ্দিন চৌধুরী, কাউন্সিলর এম এ মালেক, ডিএলএলজি-পাবনার আহবায়ক এড. মোঃ আলমগীর হোসেন, লাইট হাউস কমিউনিটি বেইজ পুলিশিং প্রোগ্রামের জেলা সহায়ক এস এম নুরুল হক, পাবনা সবুজ সংঘের সভাপতি মিজান সরদার, ছায়ানীড় নারী উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি শিল্পি খাতুন বন্যা, ডিআইসি পাবনার আউটরিচ জাহাঙ্গির আলম, রেজাউল করিম, পিয়ার এডুকেটর সারোয়ার, রতন, মোক্তার, রহিম, মাসুদ, মিলন প্রমুখ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত লুৎফরের লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হতে পোস্টমর্টেম শেষে সাথিয়ায় তার নিজ বাড়িতে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।