ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

আসলে বইমেলা না বলে একে সেলফি মেলা বলা যেতে পারে।অবশ্য মেলার যে হাল তাতে নাজেহাল হওয়ার থেকে অনিচ্ছাবশত মেকি হেসে সেলফি তোলা

অনেকটা কুলফি খাওয়ার মতন।খাইলেও পস্তাইবেন না খাইলে অবশ্যই।তো যা বলছিলাম অনেক লম্বা চওড়া কিছু একটা জগা খিচুড়ি লিখবো তো তাই ভুলভাল হয়ে যাচ্ছে।বইমেলার রিভিউ অবশ্যই পাবেন।অবশেষে বকাবকানি বন্ধ।রিভিউ শুরুঃ

আচ্ছা শুরু করি গেট থেকে।অভিজিত রায়রে কোপানোর সময় এত্ত পুলিশ কোথায় ছিলোগো??চারপাশে কোনো দোকান নাই।খালি পুলিশ আর ফুলিশ।বিড়ির দোকান নাই!অ্যাকাডেমির ভেত্রে আবার মাদক নিয়ন্ত্রণ ক্যাম্পেইন?ম্যালার সকল তথ্য ডিজিটালে আপনি পাবেন বাংলা অ্যাকাডেমির যে ফাউ স্টল সেখানে।সেগুলোরে উদ্যানে ঢুকাইলে কোনো সমস্যা হইতো না।কিন্তু কি আর করা,খেয়েছি কলসির কানা তা বলে কি পেম দেব না!।তো যদি আপনি প্রথমে উদ্যানে ঢুকে পড়েন তাইলে তথ্যকেন্দ্রের হস্তোঙ্কিত অ্যামিবা দেখিয়া ভিড়মি খাওয়ার সম্ভাবনা গুরুতর।আমিও এট্টু খেয়েছি মাইরি!

তারপর যদি আপনি তথ্যকেন্দের হেল্প না ন্যান তাইলে আপনার আগে থেকেই হোমঅয়ার্ক করে রাখতে হবে কোন বইটা কিনবেন।আর যদি স্টল ঘুরে কিনতে চান তবে সব কাজ ফেলে মেলার গুচ্ছ গোলকধাঁধায় ঘুরতে হবে।এই দেখবেন ঘাস ফুল নদী এই দেখবেন ঘাস ফুল কিন্তু দুইটা দুই প্রকাশনা।কোনো কিছুর কপিরাইট বাঙলায় হয় না।তো সে যাক,মেলার গপ্পে আসি।প্রচ্চুর প্রকাশনী।প্রচ্চুর আবর্জনা।প্রচ্চুর সেলফি।ভুলভাল ভিড়।ভালগার কমেন্ট।ন্যাকামি।ঢ্যাড়ামি।

সবই আছে কিন্তু কিছু যেন নেই।হ্যাঁ জাগৃতির সামনে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষন আমাকে থমকে থাকতে হয়েছিলো!নান্দনিকের স্টলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেদের মেয়েদের দিকে ছূঁড়ে দেওয়া বাজে কমেন্ট শুনে কঠোর মুখে সরে এসেছি।মাথায় শুধু একটাই কথা ”সবার শুভবুদ্ধি হোক”।বইমেলা মানে একজন পাঠার কাছে কিছু না হলেও পাঠকের কাছে অনেক কিছু।সেটা মাথায় যারা রাখবেন তাদের মাথায় তেল দিয়ে লাভ কি? হোয়াট ইজ লাভ!এবারের বইমেলাকে মানা এমনিতেই কষ্টকর।অভিজিতের বিচার পাইনি।বাবুর,অনন্তর,নীলের,থাবার!

ধুর আবার বেলাইনে চলে যাই।মানুষই বেলাইনের কি করবো।আবেগ!অবশ্যই বইমেলায় যান ‘বই কিনতে অথবা দেখতে বা শুঁকতে”।এই বইমেলা বাংলার বইমেলা।সাথে আছি থাকবো তবে ভাবা প্র্যাক্টিস করাটা শিখলেই আমি সে খুশি।আর কি?