ক্যাটেগরিঃ সালতামামি

 

কবি, সাহিত্যিকরা বলেন, ত্যাগের মাধ্যমে যে অর্জন সেটাই সত্যিকারের অর্জন।বড় বা মহত কিছু পেতে হলে কিছু ছাড় দিতে হয়। ত্যাগেই মহিমা ।

‘স্বৈরশাসক নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক‘-শ্লোগান আর মিছিলে ত্যাগের মাধ্যমেই গণতন্ত্রের উত্তরণ ।হাঁটি হাঁটি পা করে কিছু কিছু হোঁচট খেয়ে খেয়েই তার চর্চাও অব্যাহত । ৯০ এর দশকে নূর হোসেন মিছিলে নিজের জীবন দিয়ে চায় গণতন্ত্র ।একবিংশ শতাব্দিতে বিশ্বজিত ! বিশ্বজিত- মিছিল, হরতাল বা দলাদলিতে ছিল কি ছিল না সে প্রশ্ন বাদ দিলেও গণতান্ত্রিকতার সূত্র ধরেও তাকেও জীবন দিতে হয় । আমরা জনতা দেথি । কর্তব্য পরায়ণ বাহিনী দেখে ।সকলেই নির্বিকার । কেননা আমরা চাই গণতন্ত্রের অব্যাহত চর্চা বা টিকিয়ে রাখতে চাই গণতন্ত্র । গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখার দায় একমাত্র আমাদেরই ।

আমরা সরকার প্রধান হলে একতানে সুর বাঁধি, বলি ‘শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি‘। আর দেখতে চাই ‘লাশ‘। তার ছায়াটাকেও যদি আমরা নিজেদের লাশ বলে মনে করতে পারতাম তবেই হয়ত বা সুরের মাহাত্ম্য অনুধাবন করতে পারতাম । শব্দগুলোকে অন্তরে টেনে নিতে পারতাম ; বুঝতে পারতাম শব্দসমূহের সম্পৃক্ততা ।
তবে যা-ই হউক, আমরা জনতা । আমরা সৃজনশীল । তাই আমরা আশাবাদী । ভোরের লাল সূর্য একদিন দেখবই । বিদায় ২০১২!