ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

আজ অনেক বছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার এম সি কিউ পদ্ধতি চলে আসছে। কয়েকদিন আগে প্রথম আলো’র সংবাদের মাধ্যমে জানলাম, ভর্তি পরীক্ষা এবার না হওয়া তথা নিয়মনীতির আমূল পরিবর্তন আসছে।

আগামী রবিবার সিদ্ধান্ত নেবে কতৃপক্ষ। দেশের ২২টি সরকারী মেডিকেল কলেজের সন্মানীয় অধ্যক্ষগণ এম সি কিউ বাদ দিয়ে এস এস সি ও এইচ এস সি’র রেজাল্ট এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী নেওয়ার যে মত দিয়েছেন তা কতটুকু যুক্তি সংগত তা আমার বোধগম্য নয়।

কদিন পরেই পরীক্ষা। এই মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের এমন বিপাকে ফেলার কোন যুক্তি আছে কি? যারা মেডিকেল এর জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে তারা এখন কি করবে?

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এম সি কিউ পদ্ধতি চালু আছে এবং তা ফলপ্রসূ। কারণ এই পদ্ধতিতে পুরা বই নিয়ে মাথা ঘামাতে হয়। জানতে হয় অনেক বেশি। পক্ষান্তরে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পদ্ধতি চালু আছে তা পুরাপুরি সঠিক নয়। শিক্ষার্থীরা মুখস্থ করে তা উগরিয়ে দেয় পরীক্ষার খাতায়। নতুন যে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু আছে তা এবারের মেডিকেল পরীক্ষার্থীদের জন্য ছিল না। এছাড়া আমাদের দেশে অনেক শিক্ষকই আছেন যারা যথাযথ খাতা দেখেন না। তাহলে কিভাবে এই পদ্ধতির রেজাল্টে আস্থা আনা সম্ভব???X(

এছাড়া মেডিকেল পদ্ধতিতে ২য় বার পরীক্ষা দেওয়ারও সুযোগ রাখা আছে। সুতরাং যারা এবার ২য় বারের জন্য আশা করে আছে তাদের কি হবে??? তাদের জীবনটা কি হেলা করার বিষয়???
যদি নতুন পদ্ধতি চালু করতেই হয় তবে তা কেন আগে থেকে জানান হয় নি??? শিক্ষকগণ কি এসব বিষয় ভুলেই গেছেন??? :-*

যদি ঢাকা মেডিকেল সহ ভাল কিছু মেডিকেল নিয়ে বিচার করেন তবে দেখবেন > ৫৫% শিক্ষানবিশ ডাক্তাররা A+ না পেয়েও চান্স পেয়েছে! তাহলে তারা কি আগে খারাপ ছাত্র বা ছাত্রী ছিলেন? :-/ মোটেই না।X((

তাই প্রত্যেক ব্লগারকেই অনুরোধ করছি, আপনারা দয়া করে অতিসত্ত্বর এ বিষয়ে কিছু করুন।:| যারা আজ বিপদে তারা তো আপনারই ভাই/বোন। তাদের এ্যাপ্রন পরে মহান দায়িত্ব পালন করার সুযোগ দিন।