ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

এবার থেকে বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহনেচ্ছুরা আবেদন পাঠাতে পারবেন অনলাইনে। আসন্ন ৩৩ তম বিসিএস পরীক্ষা থেকেই এই সুবিধা চালু হচ্ছে বলে পিএসসি সূত্রে জানা গেছে।বুধবার সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছারউদ্দিন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ৩৩তম বিসিএস থেকেই পরীক্ষার আবেদনপত্র অনলাইনের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে। অনলাইনেই প্রবেশপত্র সংগ্রহ করা যাবে। “এতে পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি অনেক কমে যাবে,” বলেন তিনি। ৩৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে অথবা মার্চে প্রকাশ করা হতে পারে বলেও আভাস দেন পিএসসির এই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

তিনি জানান, ওয়েবসাইটে বিসিএসের আবেদন ফরমের প্রত্যেকটি অংশ পূরণের জন্য পৃথকভাবে নিদের্শনা দেওয়া থাকবে। ফরম পূরণের পর ‘এপ্লিকেন্ট কপি’ দেখা যাবে।

আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে পিএসপি কর্মকর্তা বলেন, ফরম সঠিকভাবে পূরণ করা হয়েছে বলে আবেদনকারী নিশ্চিত করার পর একটি ইনভয়েস নম্বর দেওয়া হবে। তারপর টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে ওই ইনভয়েস নম্বর ব্যবহার করে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। ফি গ্রহণের পর টেলিটক থেকে একটি নিবন্ধন নম্বর দেওয়া হবে। ইনভয়েস ও নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।

“ইনভয়েস ও নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে আবেদনকারী যে কোনো সময় প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে প্রিন্ট নিতে পারবেন। ফলে প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলেও তা তুলতে বেশি ঝামেলায় পড়তে হবে না”, বলেন নেছারউদ্দিন।

তিনি জানান, আবেদনপত্রে উল্লেখ করা সব তথ্য সঠিক এবং কোনো তথ্য মিথ্যা বলে প্রমাণিত হলে আবেদনকারীর বিরুদ্ধে যে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাবে- অনলাইনে ফরম পূরণের সময় আবেদনকারীকে এই মর্মে ঘোষণা দিতে হবে।

৩৩তম বিসিএস থেকে প্রবেশপত্রের পাশাপাশি হাজিরা খাতায়ও রঙিন ছবি সংযুক্ত থাকবে বলে জানান পিএসসি কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, “প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় যারা পাস করবে তাদের প্রত্যেকের কাগজপত্র যাচাই করে সব ডকুমেন্টের হার্ড কপি দেওয়া হবে। হার্ড কপি ছাড়া কেউ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না।”
সোর্স:http://www.banglaynews.com/2012/01/20/20.php