ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

মর্মাহত, দুঃখিত, ব্যথিত – কেন না কোন কিছুতেই বুঝতে পারছিনা । দৈনিক মানব জমিনে প্রকাশিত- সীতাকুন্ডের দায়িত্বরত সার্জেট মুনিরের প্রতি সমবেদনা এবং দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, সততার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু আমার লেখা ভিন্ন দিকে—

কেন এমন হচ্ছে। সব কিছুতেই কেন উমুক নেতার ছেলে, উমুক নেতার উস্কানিতে, উমুক নেতার প্রশয়ে, উমুক নেতার ইন্ধনে, উমুক নেতার নির্দেশে।

আসলেই কি তারা নেতা ? না কি নেতা নামের কলঙ্ক ? ত্যাগী নেতার ছেলে কি ভাবে অন্যকে আঘাত করতে পারে ? যদি সে যথার্থই নেতার ছেলে হয় তাহলে কেন তার দলবল থাকবে ? ঐ দলবলই কি নেতার আসল বল ? না কি এই দলবল দিয়ে চলে অন্য কাজ ? নেতা রবিউল নামক অসভ্য, মাস্তানকে অতি দ্রুত থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনা হউক।

সেই যত বড় নেতাই হউক-আইনে চোখে নগন্য। এই সমস্ত নেতার মেরুদন্ড আগেই ভেঙ্গে দেওয়া উচিত। যদি তা না করা হয়। আজ যে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি- ‍ “বিদেশীদের মুক্তিযোদ্ধার সম্মামনার পদকে যে দূনীতি” কিংবা নুর হোসেনের মত  ভয়ংন্কর সন্ত্রাসীর/মাদক ব্যবসায়ীদের লালন পালন করার কি পরিনাম !

থামুন! থামুন!! আর নয়। এবার কিন্তু প্রতিরোধ, প্রতিহত করা হবেই।

অব্শ্যই সময়ে সাথে সাথে পরিবর্তন হতে হবে। দায়িত্ববোধ বিবেক জাগ্রত করতে হবে। তবেই আমরা জাতি হিসাবে পারবো দ্রুত জেগে উঠতে।