ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

গুক্রবার, সকাল ৯:৩০ মিনিটের এদিক ওদিক। একজন সিপাহী পুলিশ ফুটপাতের চায়ের দোকানে দাড়িয়ে চা পান করছে- আর ভিড় ভিড় করছে। সারা রাত মানুষ এবাদত বদেগী করে অনেকটা ক্লান্ত শরীরে ঘুমিয়ে আছে। তেমন কোন বেশী মানুষ নেই রাস্তায়। সিপাহী প্রথম কথা- ওসি সাহেব নিজে তাকে ডেকে এলাকায় মাইকিং করার জন্য বলেছেন? যে কোন ধরনের বিস্ফোরক/বোমা/পটকা/তারা বাতি  যেন কেহ বহন বা বিক্রি না করে। যেটার সুফল থানা কর্তা ব্যক্তিরা পেয়েছেন, তুলনামূলক অনেক কম হয়েছে।

 

সত্যিই তো অনেকাংশে কম হয়েছে, আর যা হয়েছে, তা সবারই জানা আছে। আমি একটু ভিন্ন দিকে যাচ্ছি- আমি ঐ সিপাহী কাছে জানতে চাইলাম। সিপাহীটি বেশ সাহসী/সত্যবাদী/নির্ভীক, নিজে নিজেই বলছেন। আমি কারো ধার ধাারি না।

 

ঠিক আছে, আজ না হয়- পটকার জন্য মাইকিং করলেন, কিন্তু- পুলিশের যে দুনীতি, যে বদনাম আছে, তার জন্য কি একবার মাইকিং করতে পারবেন? তখনই সে বলল- ভাই, যার আছে। সে সব পারে। যেমন, জনৈক ডিআইজি’র ভাতিজি জামাই বলে কথা, তাকে গুলশান থানা বদলীর করার ১দিন পার তাকে আবার বনানী থানায় বদলী করে আনা হয় ‍‍‍”ব” একজন এস.আই কে-যার বিষয়ে পড়ে জানব আমরা।

 

কিন্তু- এই যে দূর্নীতি/ কমান্ড না মানা/ ক্ষমতার অব্যবহার করা/ নিয়ম বহিভূর্ত না নাক গলানো/ আইনকে বৃদ্ধাগুলী দেখানো/ কার সাহসে / কিসের ক্ষমতা বলে ? পারলেন ঐ তথাকথিত ডিআইজি? তিনি এতই ক্ষমতাশীল- প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও ক্ষমতাবান? এই সাধারণ জনগণের চেয়েও ক্ষমতাবান ?

একটু ভেবে দেখবেন কি?