ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

ভাই! পুলিশ চাচ্চু, আব্বুকে মেরো না! এই বাক্যটা আপনার কেমন লাগে? কী নিষ্ঠুরতা! কী আর্তনাদ! কী করুনাতা! না মনে হয় ! এটা কোন কন্ট্রাক্ট কিলিং হয় নাই। শ্রদ্ধেয় পুলিশ কমিশনার সাহেব, আই.জি সাহেব, আপনারদে কি আদালতের কাঠগড়ায় (যদি প্রয়োজন হয়) দাড়া করা যাবে না ? আপনারা এভাবে একটার পর একটা তথ্য আদায়ের নামে নির্যাতন করবেন। মেরে ফেলবেন- আর বলবেন তার নামে ১০/২০ মামলা আছে? সেই লিষ্টেড আসামী? এটা কি মেনে নেওয়া যায়? মামলা থাকলে তো – আদালত আছে। এই হত্যাকান্ড কি ফিলিস্তিনকে ছাড়িয়ে যায়নি? এই হত্যাকান্ড কি আপনাদের বিবেক নাড়া দেয়নি? এই হত্যাকান্ত কি পুলিশ বিভাগের বদনাম হয়নি? হয়তো বলবেন না? সত্যিই তো হয়নি। কারণ সে তো আর পুলিশের কোন আত্নীয় বা ছেলে/মেয়ে নয় যে তাকে বাঁচানো হবে।

যদি তাকে আগেই শাস্তি দেওয়া হতো, তাহলেই সেই জনি হত্যাকান্ডের পর সে মীরপুরে থাকে কিভাবে ? যদি উর্ধ্বতন কর্মকতারা জড়িত না থাকেন? যদি সঠিক তদন্ত হত তাহলে নিশ্চয় তার উপযুক্ত শাস্তি হত? কিন্তু না সেই তদন্ত কমিটিই টাকার কাছে পরাজিত হয়। তদন্ত আলো দেখে না, জাতি জানতে পারে না কি শাস্তি হল তার। তদন্ত পরাজিত হয় বিবেকের কাছে? পরাজিত হয়- মানুষের কাছে? পরাজিত হয় টাকার কাছে? তা হলে কি এটা কন্ট্রাক্ট কিলিংএর আওয়াত পড়ে না মাননীয় পুলিশ কমিশনার সাহেব। এটা কিসের মধ্যে পড়ে দয়া করে জানাবেন কি?

অপেক্ষায় রহিলাম।