ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

গত ১৫ জুন রাতে খুন হন যশোরের শার্শা উপজেলার কাশীপুর গ্রামের সাংবাদিক জামাল উদ্দীন। দৈনিক প্রথম আলোর আজকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশ, র‍্যাবের নিবিড় তদন্তে বেড়িয়ে এসেছে ঘটনার সাথে জড়িত পুলিশের নাম। এক পুলিশ অফিসারের পরিকল্পনাতেই খুন হন সাংবাদিক জামাল। ঐ পুলিশ অফিসার ও এক কনস্টেবলের সাথে খুনী তোতা মিয়ার ফোনালাপও প্রকাশ করেছে প্রথম আলো। যদিওবা মাদক ব্যবসা ও সীমান্ত চোরাচালানের বখরা পাওয়া উর্ধতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে উঠেপড়ে লেগেছেন ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে এদের বাঁচাতে। মাদক ব্যবসা ও সীমান্ত চোরাচালানের প্রতিবাদ করায় চোরাচালানের নিয়মিত বখরা পাওয়া পুলিশ অফিসারের পরিকল্পনায় খুন করা হয় স্থানীয় সাংবাদিক জামাল উদ্দীনকে। খুনের পর খুনীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল ঐ পুলিশ অফিসারের। মামলা নিয়ে বেশী বাড়াবাড়ি না করতে জামালের পরিবারকে চাপও দেন তিনি। প্রধান আসামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার চেষ্টাও করেছেন তিনি।

কি হবে এবার?

রাষ্ট্রের উর্দিপরা এই নরপশুদের কি বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে?
মূল ঘটনা ধাঁমাচাপা দিয়ে কোন জজ মিয়া নাটক সাজানো হবে?
স্বজনহারা জামাল পরিবার বিচারের আশায় ঘুরতে ঘুরতে সর্বস্ব হারাবে?
নাকি লিমনের মত জামাল উদ্দীন বা তার পরিবারের বিরুদ্ধে কোন চোরাচালানীর মামলা দাঁড় করানো হবে?