ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

প্রথম পর্ব :

ঢাকার টংগিতে এখন চলছে তাবলিগ জামাতের বার্ষিক সমাবেশ ইজতেমা । এ নিয়ে পত্রপত্রিকায় লেখালেখি কম নয়। ইদানিং ব্লগে ও অনেক লেখালেখি হচ্ছে । পক্ষে বিপক্ষে মন্তব্য ও আসছে প্রচুর ।
এই ব্লগে ‘বাসন্ত বিষুব’ এর ‘দ্বিতীয় হজ্বের তকমায় চলছে ইজতিমার প্রচারণা ‘শিরোনামে লেখাটা পড়লাম,ভালই লাগলো। অভ্যাসবশত মন্তব্য গুলোতে চোখ বুলাতে গিয়ে ‘জনাব নোমান’ এর একটি মন্তব্য আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিষয়টি স্পর্শকাতর ও কলেবর বড় হওয়ার সম্ভাবনায় এটাকে মন্তব্য হিসেবে সংযোজন না করে স্বতন্ত্র লেখা হিসেবে প্রকাশে প্রয়াসি হয়েছি।

আগেই বলে রাখি- তাবলীগ জামাত বা তাদের ইজতেমার প্রতি আমার কোনও সমর্থন নেই এবং এর পক্ষে-বিপক্ষে কোনও কিছুর অবতারণা করা ও আমার এ লেখার উদ্দেশ্য নয়।

ওই মন্তব্যে ইজতেমা কে বিদআত সাব্যস্ত করতে গিয়ে কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্যের অবতারণা করা হয়েছে এবং যুগ যুগ ধরে চলে আসা কিছু ইসলামী অনুশাসন ও অনুষ্ঠানাদি যেমন -মুনাজাত,মীলাদুন্নবী(দ.),শবে বরাত,রাসূলুল্লাহ(দ.)এর ইলম,বিশেষ দিন সমূহের ফজিলত ইত্যাদিকে বিদআত ও পরিত্যাজ্য সাব্যস্ত করে এর পালনকারীদের জাহান্নামী বানানোর অপচেষ্টা করা হয়েছে।

বাস্তবত: কথাগুলো আমাদের দেশে বিদ্যমান সৌদি সমর্থিত ওহাবী সম্প্রদায় ও মৌদুদী মতবাদের অনুসারী জামায়াতী’দের কথার ই প্রতিধ্বনি। যারা ইতোমধ্যে আমাদের দেশে স্বাধীনতা বিরুধি,উগ্র মৌলবাদী ও জংগীবাদী কর্মকান্ডের জন্য সমালোচিত ও বিতর্কিত। ইতিহাসের পরিহাস এই যে,যে কওমি ওহাবীদের পৃষ্টপোষকতায় এদেশে তাবলীগের উথ্থান,তারা আজ কেন তাবলীগীদের বিরুধ্ধে উঠে পড়ে লাগলো? সৌদি প্রভুদের খুশি করার জন্য?জেনে রাখা ভাল-সম্প্রতি বছরখানেক ধরে সৌদিআরব থেকে তাবলীগীদের বিরুধ্ধে বিভিন্ন ফতোয়া দেয়া হচ্ছে-যার কিয়দংশ ইবনে বাজ’র সুত্র ধরে ওই মন্তব্যে লিপিবদ্ধ হয়েছে।

যা হোক ইজতেমা বা তাবলীগ আমার আলোচনার উদ্দেশ্য নয়,আমি শুধু আমার স্বল্প জ্ঞানের পরিসরে ওই মন্তব্যের বিভ্রান্তিকর তথ্যগুলো নিয়ে আলোচনা করব।

প্রসঙ্গ:বিদআত
পুরো মন্তব্য জুড়েই আসলে বিদআত এর আলোচনাই হয়েছে,যাতে দলিল বলতে শুধু বিদআত এর দুটো সংজ্ঞা ও দুটো হাদীস শরীফের অবতারণা করা হয়েছে,বাকিটুক শব্দ ও ভাষার মায়াজাল ছাড়া কিছুই নয়। যে মায়াজালের ঘূর্ণিতে তিনি তাবলীগ জামাতকে বিদাতি ও জাহান্নামী সাব্যস্ত করতে গিয়ে অস্বীকার করেছেন-বিদআত এর প্রকারভেদ,মীলাদুন্নবী(দ.),শবে বরাত,রসুলল্লাহ(দ.)এর ইলমে গায়ব ইত্যাদি এবং সাথে সাথে এর পালনকারীদের ও তিনি দলে দলে জাহান্নামে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছেন(আল্লাহ আমাদের গুমরাহী হতে হেফাজত করুন),যে আমল ও অনুষ্টানাদি বিদআত তকমা পেয়েছে সৌদি বনদস্যু ইবনে সাউদ এর পৃষ্টপোষকতায় মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাব নজদির প্রতিষ্ঠিত ওয়াহাবি মতবাদ প্রসারের পর।

বস্তুত এ দুটো সংজ্ঞা ও হাদীসের ব্যাপারে আমার কোন দ্বিমত নেই-দ্বিমত ওই হাদীসের অপপ্রয়োগ ও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের ব্যাপারে।
তিনি বিভ্রান্তি ছড়াতে গিয়ে ‘কুল্লূ ‘ শব্দটি আলাদা গুরুত্ব দিয়ে উপস্তাপন করেছেন। কুল্লূ শব্দের শাব্দিক অর্থ প্রত্যেক.যার মধ্যে তিনি সামিল করেছেন-ভাল কাজ মন্দ কাজ দুটুকেই। বলেছেন-‘সব বিদআত ই এককথায় বিদআত-সব বিদআত ই বাতিল’।

রাসূলুল্লাহ(দ.)এর বাণী ‘কুল্লূ বিদআতিন দালালাহ’ এর ব্যাখ্যায় আল্লামা নবুবি (র.) বলেন,এটি আ’মে মাখচুচ বা সীমিত ব্যাপক। এ হাদীসে উল্লেখিত বিদআত হচ্ছে-সেসব নব উদ্ভাবিত বিষয়াদি যার শুদ্দতার পক্ষে শরিয়তে কোন প্রমাণ মেলেনা.(সুনানে নাসাঈ এর টিকা )।

( যারা কুল্লূ শব্দটির দলিলসমেত বিস্তারিত ব্যাখ্যা জানতে চান পড়ুন-ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ হতে প্রকাশিত ড, আল্লামা ইউসুফ আল রেফায়ী রচিত,ড,আব্দুল্লাহ আল মারুফ অনুদিত ”মহানবী (সা.) এর মর্যাদা” বইটি। এখানে স্বল্প পরিসরে এর বিশদ ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব নয়)।

সুতরাং বলা যায়,কুল্লূ শব্দটির মধ্যে সব বিদআত অন্তর্ভূক্ত নয়। যা স্বয়ং রাসূলে আকরাম (দ.) অপর এক হাদীসে বিশ্লেষণ করেছেন। যে হাদিসকে ওলামায়ে কেরাম বিদআত এর প্রকরণের দলিল হসেবে পেশ করেন। এটাকে বলা হয় তফসিরুল হাদীস বিলহাদিস। আসুন সে হাদিসখানা দেখে নিই:

হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন,রাসূল (দ.)বলেছেন -ইসলামে কেউ সুন্নতে হাসানাহ বা উত্তম রীতি চালু করে, তারপরে ওই রীতির উপর আমল করা হলে এর জন্য আমলকারির সমপরিমাণ সাওয়াব প্রবর্তনকারীর আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হবে,এতে আমলকারির সাওয়াব কম হবেনা.আর যে ইসলামে সুন্নতে সাইয়ীআহ বা খারাপ রীতির প্রবর্তন করে,পরে তার উপর আমল করা হয়,তবে প্রবর্তনকারীর আমলনামায় আমলকারির সমপরিমাণ গুনাহ লিপিবদ্ধ হবে,এতে আমলকারীদের গুনাহ কম করা হবেনা। (মুসলিম শরীফ)

লেখকের উপস্থাপিত হাদীসে যে মুহদাসাতুল উমূর বা নতুন রীতির আলোচনা হয়েছে তা এই হাদীসে রাসূল (দ.) স্পষ্ট করে দিয়েছেন ভাল-মন্দ দু’ভাগে ভাগ করে দিয়ে। যে বিদআত দালালাহ বলা হয়েছে , তা ওই মন্দ আবিষ্কার। এ থেকেই ওলামায়ে কেরাম বিদআত কে দু’ভাগে ভাগ করেছেন-হাসানাহ ও সাইয়ীআহ।
অন্য এক হাদীসে এটাকে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে-

হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন-রাসূলে আকরাম (দ.) ফরমান-”মান আহদাসা ফি আমরিনা হাজা ফালাইসা মিনহু ফাহুয়া রদদুন অর্থাত্‍ যে লোক আমার এই দ্বীনে নতুন কিছু উদ্ভাবন করবে ,যা মূলত এর অন্তর্ভুক্ত নয়-তা প্রত্যাখ্যাত হবে।

এই হাদীস প্রমাণ করে -এমন কিছু নতুন বিষয় উদ্ভাবন হতে পারে,যা দ্বীনের প্রয়োজনে ব্যবহার হবার অধিকার রাখে এবং তা পরিত্যাজ্য নয়। পরিত্যাজ্য তাহাই যা দ্বীনে অন্তর্ভুক্ত হবার অধিকার রাখেনা। প্রকরণ কী স্পষ্ট হল?

ইমাম শাফেঈ (রা) ও বিদআত কে মাহমূদাহ,মাজমূমাহ (নন্দনীয় ও নিন্দনীয়) দু’ভাগে ভাগ করেছেন।
সুতরাং বলা যায়,রাসূল (দ.)এর পরে ইসলামে নতুনভাবে হালাল-হারাম এবং ফরজ -ওয়াজিবের বিধান সংযোজন করা ,হালালকে হারাম ও হারাম কে হালাল বানানো,কুরান-সুন্নাহ বিরুধি কোনও রীতি-নীতি ও পদ্বতির প্রচলন বিদআতে সাইয়ীআহ বা সুন্নতে সাইয়ীআহ বা দালালাহ বা গুমরাহি এবং তা অবশ্যই পরিত্যাজ্য ।
পাশাপাশি সুন্নতে হাসানাহ প্রচলনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর জন্য সওয়াবের ঘোষণা দিয়ে একে উত্‍সাহিত ও করা হয়েছে। এজন্যে মুহাদ্দিসিনে কেরাম,আইম্মায়ে মুজতাহিদীন বিদআত সম্পর্কিত ওই হাদিসকে একতরফা ও ঢালাওভাবে ব্যবহার করেননি।

আরও দু’য়েকটি দলিল দেয়া যাক:
রমজানে তারাবীহ’র নামায জামাতের সাথে আদায়ের ব্যবস্তা প্রচলন করার সময় ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা.) বললেন-নে’মাল বিদাতু হা-জিহী অর্থাত্‍ এটা কত ভাল বিদআত। কী জবাব দেবেন হযরত ওমর (রা.)এর এই ঘোষণা দিয়ে বিদআত প্রচলন করাকে ? যে ওমর (রা.)কে স্বয়ং রাসূলে আকরাম (দ.)ইসলাম ও ফিতনার মদ্যকার পর্দা বলেছেন। আর আপনাদের মতানুযায়ী সব বিদআত যদি দালালাহ হয়, তবে কী সিদ্দান্ত হবে আপনার এই বিদআত এর ব্যাপারে ?

অন্য একটি হাদীস বুখারী শরীফে বাবুল উমরাহ’য় মুজাহিদ থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন -আমি এবং উরওয়া ইবনে জুবায়ের মসজিদে নববীতে প্রবেশ করি। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) কে হযরত আয়েশার (রা.) হুজরার সামনে বসা দেখি এবং দেখতে পাই- কিছু লোক মসজিদে সালাতুদ দুহা বা চাসতের নামায পড়ছে। আমি তার নিকট এভাবে নামায পড়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বললেন বিদআত।

চাসতের নামায তো সুন্নাত যা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। তিনি নামাজীদের মসজিদে প্রকাশ্যে চাসতের নামায আদায় করতে দেখে বিদআত বলেছেন কেননা রাসূলে পাক (দ.) দু’য়েকবার চাসতের নামায মসজিদে আদায় করলে ও সাধারনত ঘরেই আদায় করতেন। এ থেকে বুঝা যায়, সাহাবায়ে কেরামের জমানায় ও বিদআত শব্দটির এভাবে আপত্তিকর ব্যবহার ছিলনা। এবং অনুকরণীয় ব্যক্তিবর্গ বিদআত কে ঢালাওভাবে দালালাহ বা গুমরাহী অর্থে ব্যবহার করতেননা।

সুতরাং যেটা সাহাবায়ে কেরাম করেননি,সেটা(বিদআত কে ঢালাওভাবে দালালাহ বা গুমরাহী অর্থে ব্যবহার) করে আপনারাই করছেন বিদআতে সাইয়ীআহ বা নিন্দনীয় বিদআত। আপনারাই এ বিদআতের মাধ্যমে বৃহত্তর মুসলিম জনগুষ্টিকে গুমরাহ,মুশরিক,জাহান্নামী প্রমাণ করার অপচেস্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, যা অত্যন্ত গর্হিত, মুসলিম জাহানের ঐক্য বিনষ্টকারী এবং নিঃসন্দেহে নিন্দনীয় কাজ।

আপনার উল্লেখিত হাদীসদ্বয়ের অনুবাদে আপনি ‘দ্বীনের মধ্যে ‘ দু’টি শব্দ অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রবিষ্ট করেছেন যা হাদীসের মূল এবারতে নেই। আপনি হাদীসের শাব্দিক অর্থ করলে এবারতের মাঝে এ ধরনের শব্দ প্রবেশ করাতে পারেননা। আর যদি মর্মার্থ নেন তবে ওই দুটি শব্দের সাথে কুল্লূ বিদআতিন এর পরে একটি সাইয়ীআহ শব্দ জুড়ে দেন,দেখবেন হাদীসের অর্থ ও পরিস্কার হয়ে যাবে,দ্বর্থতা ও গুমরাহির ও অবকাশ থাকবেনা। তাহলে হাদীস টির অর্থ দাড়াবে নিন্দনীয় বিদআত সমূহ গুমরাহী এবং এর পরিণতি জাহান্নাম।

লেখক ‘দ্বীনের মধ্যে ‘শব্দদ্বয়কে এভাবে ব্যাখ্যা করেছেন-” ইসলামের মধ্যে ,ধর্মের মাঝে ,ইবাদতের মাঝে। এখানে সমাজের মাঝে বলা হয়নি। —–”
আমার বুঝা আসছেনা-এখানে সমাজকে ইসলামের আওতামুক্ত করা হল কেন?দ্বীন বা ইসলামকে শুধুমাত্র ইবাদতের মাঝে সীমাবদ্দ করা হল কেন? অথচ আমরাই বলি -Islam is the complete code of life। শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক ইবাদত দিয়ে কী জীবন কল্পনা করা যায়?সমাজ ছাড়া কী জীবন অচল নয়?

একজন মুমিনের পুরো জীবন চলার জন্য ইসলাম দিয়েছে পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নয় শুধু এমনকি মৃত্যুর পর ও কী কী করতে হবে ইসলাম দিয়েছে তার পূর্ণ নির্দেশনা। জন্ম,জীবন যাপন,বিবাহ,দাম্পত্য,মৃত্যু এমনকি ইসলাম বলেছে কিভাবে আপনি টয়লেটে যাবেন,কিভাবে বের হবেন এমন ছুটখাট বিষয় ও। ইসলাম শিক্ষা দিয়েছে কিভাবে পরস্পরের সাথে মেলামেশা করতে হবে। ইসলামী রীতি অনুযায়ী করলে আপনার প্রত্যেকটি কর্মই ইবাদত। অবশ্য সেক্ষেত্রে বিদআত এর প্রকরণ মেনে চলতে হবে। কারণ এ মহাবিশ্বে প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন আবিষ্কার, যার বৃহদংশই করনে ছালাচাতে(ইসলামের প্রথম তিন যুগ) কল্পনা ও করা যেতনা। স্বভাবতই এগুলু বিদাতের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং প্রত্যেক বিদআত যদি গুমরাহি হয়,আপনাকে হজ্বে যেতে উট বা ঘোড়া খুজতে হবে। আপনি নিতে পারবেন না পাসপোর্ট,যেটাতে সংযুক্ত আছে ছবি । কোনও দেশের বর্ডার আপনাকে অতিক্রম করতে দেয়া হবেনা এবং আপনের কপালে হজ্ব ও জুটবেনা।

হাসান আল বান্না তার অনুসারীদের সতর্ক করতেন যেন আপেক্ষিক বিদআত এর বিরুদ্বে নিজেদের ব্যস্ত না রাখে, কারণ প্রকৃত বিদআত’র মুলুত্পাটন ই একটি বড় কাজ,তিনি প্রকৃত বিদআত বলতে ধর্মবিরুধি খারাপ কাজগুলুকে বুজতেন,যেগুলু নিয়ে আলেমদের মধ্যে কোনও মতপার্থক্য নেই। সেগুলুর সংজ্ঞা ও অপকারিতা সম্পর্কে ও কার ও দ্বিমত নেই। অথচ মুসলমানদের মধ্যে কত দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ছে।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে সবধরনের বিভ্রান্তি হতে হেফাজত করুন।

উপরুক্ত মন্তব্যে যেসব ইসলামী অনুষ্ঠানাদি যেমন শবে বরাত , মীলাদুন্নবী(দ.),রাসূল (দ.) এর ইলমে গায়ব সম্পর্কে মন্তব্য করা হয়েছে তা নিয়ে দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা করার ইচ্ছে আছে । প্রথম পর্ব এখানেই শেষ করছি।

(বিদআত সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে পড়ুন:মাওলানা মোহাম্মদ আজিজুল হক মুরাদ লিখিত ” বিদআত , ব্যাখ্যা-অপব্যাখ্যা,প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ ” বই টি )