ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ


ছবি: পল্লীমা গ্রিন

 

২০৩০ এর মধ্যে পৃথিবীর সব দেশগুলোকে প্লাস্টিক বর্জন করার সময় সীমা বেঁধে দিয়েছে জাতিসংঘ। ঠিক এমনি এক সময়ে বাংলাদেশের মোবারক আহম্মেদ খান আমাদের সামনে নিয়ে এলেন পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট থেকে সোনালি ব্যাগ; যা প্লাস্টিক বর্জনের এক সম্ভাবনাময় দুয়ার খুলে দিয়েছে। তার আবিষ্কার অর্থাৎ প্লাস্টিকের বিকল্প পচনশীল ব্যাগ যা দেখতে এবং কাজে পলি ব্যাগের মতই শতভাগ পরিবেশবান্ধব।

প্লাস্টিকের সমস্ত বর্জ্য শেষ পর্যন্ত গিয়ে জমা হয় সমুদ্রে। মাছেরা এসব প্লাস্টিক খেয়ে ফেলে। হিমালয়ের এভারেস্ট থেকে ৪০০০ টন প্লাস্টিক দ্রব্য অপসারণ করেছে নেপাল। মোবারকের এই আবিষ্কার  প্ল্যাস্টিক দ্রব্যের দূষণ থেকে মানুষ এবং প্রাণীকে বাঁচাতে পারে।


ঢাকায় বর্জ্যের ভাগাড়ে দিনে জমছে দুই কোটি পলিথিন: পবা

পলিথিন ছেড়ে পাটের ব্যাগ ব্যবহারে জোর প্রধানমন্ত্রীর

‘সোনালী ব্যাগের‘ স্বত্ব রাখতে টাক্সফোর্স গঠনের সুপারিশ


খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদের অঙ্গসংগঠন  এই কৃতি বিজ্ঞানীকে ‘পল্লীমা গ্রিন ২০১৯ স্বর্ণপদক’  পুরস্কারে সন্মানিত করেছে। এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মোবারক আহম্মেদ খানের সাথে কিছুক্ষণ আলাপ করার সুযোগ হয়েছিল। অমায়িক আর নিরহংকার এই লোকের প্রশংসা না করে পারা যাবে না।

তার কাছেই জানলাম সোনালি ব্যাগ নামটা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া। আমি ড. মোবারককে বললাম, আপনার এত বড় আবিষ্কার নিয়ে দেশে তো তোলপাড় হবার কথা।

তিনি বললেন, এটাকে এগিয়ে নিতে প্রচুর ফান্ড বা পুঁজি বিনিয়োগের দরকার। সেটা আশাব্যঞ্জক না। আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার সরাসরি এক্সেস থাকলে তিনি তার কাছে সহায়তা চাইতেন। উনার প্রয়োজন গবেষণা চালিয়ে যাবার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম ইত্যাদি। এর জন্য প্রচুর অর্থ বা বিনিয়োগ দরকার।

পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষকে সচেতন হয়ে প্লাস্টিক ব্যাগ বর্জন করতে হবে। মানুষ তখনি তা করবে যখন জানবে প্লাস্টিকের কী ক্ষতি এবং হাতের কাছে বিকল্প কী রয়েছে। প্লাস্টিক মুক্ত পৃথিবী তৈরিতে প্রতিটা মানুষের চেষ্টা জরুরি।

মন্তব্য ২ পঠিত