ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বড়ই ফাঁপরের মধ্যে আছি । সত্যি কথা বলতে কি এই ফাঁপর শব্দটার অর্থ আমি জেনেছি আমার বিয়ের পরে আমার স্ত্রীর কাছ থেকে । যাহোক সে অন্য এক ইতিহাস । আমি যা লিখতে চাচ্ছি সেদিকেই আগাই । ছোঠবেলায় একটা মঞ্চ নাটক দেখেছিলাম, নাম ছিল দেওয়ান গাজীর কিস্‌সা । নাটকটির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জনাব আলি জাকের (দেওয়ান গাজী) । নাটকটিতে যে ইংগিত দেয়া হয়েছিল তা হল বিভিন্ন অবস্থায় মানুষের আচরন কি রকম হয় । দেওয়ান গাজী দিন-রাত বেশিরভাগ সময়েই মদ্যপ থাকতেন এবং ঐ সময়ে সবার সাথে খুবই ভাল ব্যাবহার করতেন, মানুষের কষ্ট বুজতেন এবং দানশীল থাকতেন । কিন্তু যেইমাত্র মদের নেশা কমে আসতো উনার মেজাজ ও খারাপ হয়ে যেত এবং সবার সাথে খুবই খারাপ ব্যাবহার করতেন । এমনকি মদ্যপ অবস্থায় সবার সাথে যা ওয়াদা করতেন সব ভুলে যেতেন । তাই সবাই দেওয়ান গাজিকে মদ্যপ অবস্থায় রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন ।

এবার আসা যাক নোবেল পুরস্কার বিষয়ে । নোবেল পুরস্কার হচ্ছে বিশ্বের সর্ব বৃহৎ সম্মান যা নরওয়ে ভিত্তিক বিজ্ঞ নোবেল কমিটি বেশ কয়েক মাস সময় নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচায় বাঁচায় করার পর তাদের সংসদে বিশদভাবে পুনঃ পরীক্ষা এবং আলোচনার পর নোবেল প্রাপ্তদের নাম চূড়ান্ত করে । তাদের প্রক্রিয়া এতই ব্যাপক এবং নিরপেক্ষ যে ভূল মানুষকে নির্বাচন করার অবকাশ খুবই কম । নোবেল পুরস্কার নিয়ে কানাঘুষা আগেও বিভিন্ন দেশে হয়েছে কিন্তু এটা নিয়ে রাজনীতি মনে হয় এবারই প্রথম যা আমদের দেশে হচ্ছে ।

বিশ্বের সর্বোচ্ছ ঘনবসতিপূর্ণ এই ছোট্ট দেশ বিভিন্নভাবে বিশ্বের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে । বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বের উন্নত দেশগুলিতে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে আমাদের দেশটাকে তুলে ধরেছে অত্যন্ত সম্মানের পর্যায়ে । আমাদের ক্রিকেটের সোনার ছেলেরা বিশ্বের সাথে মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে সবাইকে চিনিয়েছে এবং চিনাচ্ছে । আমাদেরই ছেলে মুসা ইব্রাহীম এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে দেখিয়েছে । এবং আমাদেরই ডঃ ইউনুছ নোবেল পুরস্কার এনে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে অনেক উঁচু স্থানে নিয়ে গেছে । আমরা তাদের নিয়ে গর্ব করি । স্যালুট করি তাঁদের ।