ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, শিল্প-সংস্কৃতি

শীতকালীন পিঠার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে ও নারী উদ্যোক্তার সন্ধানে ভিএসও এর আর্থিক সহায়তায় আরডিআরএস বাংলাদেশের বাস্তবায়নে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত জোতবানী ইউনিয়নে পিঠা উৎসব ২০১৮ পালন করেছে আইসিএস প্রজেক্টের বিরামপুর সাইকেল-১।
রোববার জোতবানী ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এ পিঠা উৎসব উদ্বোধন করেন স্থানীয় চেয়ারম্যান আ. রাজ্জাক মণ্ডল।
বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ পরিবার নিয়ে, বন্ধুদের নিয়ে পিঠা উৎসবে বিভিন্ন স্টল পরির্দশনের পাশাপাশি বিভিন্ন স্টলের বাহারি পিঠার স্বাদ নেন।
নানা রঙ ও নকশার পিঠা নিয়ে এই উৎসবে ১৩টি স্টলে দুধ চিতই, সাগুর লস্করা, সংসারি, পেয়া, নয়নতারা, ডালের বরফি, হেঁয়ালি পিঠা, পাটিসাপটা, নারকেল পুলি, দুধপুলি, তালের পিঠা, মাছ পিঠা, হৃদয়হরণ, মনকারা, কুমারী পিঠা, বৌ-পিঠা, সাথী পিঠা, মালপোয়া, ঝালপোয়া, সুজির পিঠা, মাংসের সমুচা, ডিম পিঠা, মুগ পাকান, পুডিং, পায়েস, পানতোয়াসহ প্রায়  দু্ইশত রকমের পিঠা বিক্রি ও প্রদর্শিত হয়।
আয়োজকদের অন্যতম উদ্যোক্তা বিথী বলেন,  “নারীদের মধ্য থেকে উদ্যোক্তা তৈরি ও বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব যাতে হারিয়ে না যায় তাই আমরা এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এখন থেকে প্রতি বছর নিয়মিত ভাবে পিঠা উৎসবের আয়োজন করতে চাই।”
পিঠা উৎসব ২০১৮ আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক নিরোধ পল তার অভিব্যক্তিতে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য ছিল পিঠা উৎসবের মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তা খুঁজে বের করার এবং তাদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করার।
“আমরা আগামীতে চেষ্টা করবো এদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে আয়ের উৎস তৈরি করে দেওয়ার জন্য। আনন্দ-উল্লাসে সবাই একত্রিত হওয়ার সাথে সাথে অসহায় দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করতে পারাতেই আমাদের আয়োজন স্বার্থক হয়ে উঠবে।”
দুপুর ২টায় শুরু হয়ে এ পিঠা উৎসব শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৫টায়।