ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

কম্পিউটার  নিজে থেকে  কাজ  করতে পারে না  কোন কাজের  পর কোন কাজ করবে  তা   প্রোগ্রাম  এর  মাধ্যমে বলে দেওয়া হয়। বিভিন্ন  ধরনের  প্রগ্রামিং  ল্যাঙ্গুয়েজ  আসে তার মধ্যে C  অন্যতম ।

কম্পিউটার কে কাজ  করার জন্য কিছু ইন্সট্রাকশান  প্রয়োজন হয়।  ইন্সট্রাকশান দেয়ার জন্য এবং  কম্পিউটার কে  বোঝানর জন্য   আমরা  C language  ইউজ  করতে পারি।   কম্পিউটার   যেহেতু  মানুষের ভাষা  বোঝ না   তাই  কম্পিউতার এর  জন্য দোভাষি   প্রযোজন হয়    যাকে  আমরা বলি   compilar……… Tarbo   C  নামে একটা  কম্পিইলার  আসে  সেই  সফটওয়ার টা  ব্যাবহার করতে পারি।

C  শিখতে হলে ডাটা  টাইপ  সম্পেকে  জানতে হবে ।

কম্পিউটার এ আমরা সাধারণত ৩ ধরনের ডাটা টাইপ ব্যবহার করি।

প্রথমটা নাম্বার- বিভিন্ন ধরনের সংখ্যা আমরা ব্যবহার করতে পারি।  যেমন……

১২
২৩.৯
-১২
-১২.৩৪

নাম্বার    আবার  কয়েকটা  টাইপ আছে

১। int

২।float

৩। double  ইত্যাদি

String  এক ধরনের  ডাটা টাইপ । String (স্ট্রিং). এক বা একাধিক বর্ণ বা সংখ্যা বা চিহ্ন ব্যবহার করে কোন তথ্য উপস্থাপন করতে হরে আমরা String ব্যবহার করি যেমন …

””বাংলাদেশ”

“dhaka”

“১২৫৬”
“৯৮৮৯০″
“ তুমি যে  আমার অগ তুমি  যে আমার”

String বোঝানোর জন্য আমরা কোটেশন মার্ক (“) ব্যবহার করি। যেমন ৫৬৬৬একটা নাম্বার কিন্তু “৫৬৬৬″ একটা String।

আর এক টা  ডাটা টাইপ আছে  যাকে আমরা বলি boolean (বুলিয়ান) বা সংক্ষেপে bool। এটাতে শুধুমাত্র True বা False এই দুইটা মান রাখা যায়।

০ থেকে ৯ ব্যবহার করে যেমন সব সংখ্যা লেখা যায় তেমনি এই তিন ধরনের ডাটা টাইপ ব্যবহার করে আমরা যে কোন ধরণের ডাটা কম্পিউটারে উপস্থাপন করতে পারি।

C ল্যাংগুয়েজে আমরা যেসব  ডাটা টাইপ ব্যবহার করি সেগুলো হলঃ

int, char, short, long, float, double
এই টাইপগুলো ব্যবহার করে সব ধরনের ডাটা  উপস্থাপন করা যায়।

 

 প্রযুক্তিডেস্ক