ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

১৯৭৫ সালের এপ্রিলে ফারাক্কা বাধ চালু হয়েছিল পরীক্ষামূলকভাবে। তাদের পরীক্ষা শেষ হয়নি, বাংলাদেশ শুকিয়ে শেষ। তারা আরো পরীক্ষা করতে লাগল। গিনিপিগ বাংলাদেশ আরো শুকায়। গত বছর নাকি টিপাইমুখ বাধ নিয়ে সরকারবিরোধিরা অহেতুকই ক্ষেপে উঠেছিল। সরকার বলেছিল, আরে না সেটা হচ্ছে না। মনমোহন সিংও আমাদের সুযোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রধানমন্ত্রী এবং পারসোনা চর্চিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছিলেন, দূর, কিছু করলে তো তোমাদের জানিয়েই করব। তোমাদের ক্ষতি হয় এমন কোনো কিছু করব না। কিন্তু তার কথাটা মনে ছিল না। গরিবের কথা কারই বা মনে থাকে। কিন্তু আমাদের পানিসম্পদ মন্ত্রী রমেশ বাবু তো ঘুমাচ্ছেন আর ঘুমাচ্ছেন। কেন যে তাকে ডেকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল? টিপাইমুখ নিয়ে যখন কথা হচ্ছিল তখন তিনি বলেছিলেন, এখনই ক্ষেপে ওঠার কী আছে? বাধ দিলে পরে দেখা যাবে? যদি ক্ষতি হয় তখনই না হয় প্রতিবাদ করা যাবে। কয়েকদিন ধরে আবারও টিপাইমুখ বাধ নিয়ে কথা ওঠেছে। এবার আমাদের প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান বললেন, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে সরকারের কিছু করণীয় নেই। আর বিষয়টি অভ্যন্তরীণ হোক আর নাই হোক এ বিষয়ে যদি কোনো কথা বলার থাকে তাহলে তা বলবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা নেই।

কী মন্তব্য করব! অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর। তাই আর কিছু বলা গেল না।