ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

তিনি আমাদের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্তাব্যক্তি। জনাব আবুল হোসেন। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা ও দূর্নীতির পর তাকে পাঠানো হয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে। কিন্তু নয়া এই মন্ত্রণালয়ের কেউ নাকি তাকে চাইছেন না। ফলে প্রায় বিশ দিন পার হলেও এ বিষয়ক কোনো অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যাচ্ছে না। বিষয়টা টের পেয়েছেন তিনিও। ফলে এখন তিনিও ছাড়তে চাইছেন তথ্যের ‘গদি’। তিনি এখন কারিশমা দেখাতে চাইছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। চীনাব্লকের এই বরেণ্য ব্যক্তিত্ব নাকি দেশের একমুখী পররাষ্ট্রনীতিকে ঘুরিয়ে বহুমুখী করবেন।

এইগুলো হলো বাতাসে ভেসে আসা খবর। কিন্তু কত্তো মজা এই গদিতে? ‘ওস্তাদ ডাইনে, বায়ে আবুল’ -এর মতো বিখ্যাত ডায়লগ তৈরি হবার পরও তার গায়ে আঁচ লাগেনি এতটুকুও। জানি না এই শীতে তার কোনো ধরনের শীতবস্ত্র পরার দরকার হয় কি না। এত মোটা চামড়া থাকলে তো বরং গরমই লাগার কথা। আর বলিহারি যাই সরকারের কথা ভেবেও। কী পেয়েছে এই আবুলের (অবশ্য ফারুক খানসহ আরো কয়েকজন মন্ত্রীর যোগ্যতাও এক্ষেত্রে আবুলের সমপর্যায়ের অথবা তার চেয়েও বেশি।) মধ্যে? তাকে কি সরকার স্যাক করে না, না করতে পারে না -অতটুকু জানার মতো ভেতরে আমি যেতে পারি না। তবে বারবারই মনে পড়ে, হায় সেল্যুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ, দৌড়েও কেউ মন্ত্রী হয়, আর রাজ্জাকরা পড়ে থাকেন ধুলোয়।