ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস। বাঙ্গালী মাত্র প্রতিটি স্বাধীনতা আর স্বদেশ প্রেমিকের কাছে পুরো মাস জুড়ে থাকে লাল-সবুজের এক ভিন্ন আবহ। আর এর চিত্র বা প্রভাব দেখা যায় রাস্তা ঘাটে এমনকি বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তরে। রিস্কা-গাড়ী এমনকি বাই সাইকেলের হ্যান্ডেলেও জাতিয় পতাকার পত-পত শব্দ ডিসেম্বর মাসের বিজয় আবহ প্রকাশ করে চলে প্রতি ক্ষনে। কিন্তু এই বিজয়ের মাসে সর্বোচ্চ সাহস আর লাজ-লজ্জার মাথা খেয়ে গত (০৪ ডিসেম্বর) যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জমাতের শির্ষ কয়েক নেতার মুক্তির দাবীতে হরতাল ডেকেছিল সাথে নিজেদের সরুপ উন্মেচিত করে সেই হরতালে নৈতিক ! সমর্থন জানিয়েছিল আমাদের প্রধান বিরোধীদল বিএনপি।

সেই হরতালে বিএনপির নৈতিক সমর্থন থাকা সত্বেও জমাত-শিবিরের কর্মীরা কতটা সফল হতে পেরেছিল তা আমরা সবাই দেখতে পেয়েছি এবং তারা যা শিক্ষা পাওয়ার আমার মনে হয় তাও তারা যথেষ্টই পেয়েছে।

এখন জামায়াতে ইসলামীসহ সব ‘সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল’ নিষিদ্ধ করা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত শেষ করাসহ কয়েকটি দাবিতে ১৮ ডিসেম্বর সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। সুত্র-বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

যুদ্ধাপরাধীদের বাচানোর হরতালে নৈতিক সমর্থন জানিয়ে বিজয়ের মাসে বিএনপি তার নিতি ও দেশ্রেমের!যে পরিচয় দিতে দ্বিধাবোধ করেনি ঠিক একই রকম ভাবে ৭১’র স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধীতাকারী ঘৃনিত মানবতাবিরোধী চক্রের নিঃচিহ্ন যবানিকা টানার আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামীলীগের নৈতিক সমর্থন থাকবে এটাই স্বাভাবিক।

এখন দেখার বিষয়,বিজয়ের মাসে স্বদেশপ্রেমে উজ্জিবিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী কুচক্রী মহলের বিষদাত ভেঙ্গে দিতে আবারো ৭১’র চেতনায় বলিয়ান হয়ে সেই সৎসাহস দেখাবে নাকী সরকারী দল এই দোহাই দিয়ে সাইডলাইনে দাড়িয়ে পর্যবেক্ষন কারীর ভুমিকায় অবতীর্ন হবে আ’লীগ।

ছবি-ইন্টারনেট।