ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

বিশ্বজিৎ এর মৃত্যু নিয়ে পুরো দেশর তথা দেশের এমন কোন মানুষ নেই যে কথা বলছেন না কিংবা বিষয়টি অবগত নন। আর এর পাশাপাশি কোন প্রশ্ন ছাড়াই শুধুমাত্র সরকারী দলের ছাত্র সংঘঠনকে দায়ী করে ক্ষোভ ছড়াচ্ছেন নিঃসংকোচে। কারন আমাদের জাতীর বিবেক তথা দুধে ধোয়া তুলশিপাতা মিডিয়া এক প্রকার নিশ্চিত করেই তাদের মনে গেথে দিয়েছে বিশ্বজিৎ হত্যার নৃশংস দৃশ্য সাথে এই হত্যার দায় ছাত্রণীগের অপকর্ম। বিশ্বজিৎ হত্যার সাথে একমাত্র ছাত্রলীগই দায়ী আপাতত শুধু মাত্র প্রথম আলো পত্রিকাটির রিপোর্ট গুলিই প্রমানের জন্য যথেষ্ট।

আমার প্রথম কথাগুলি হয়ত আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে কিংবা করেছে। এখন আমার কিছু প্রশ্ন আছে আপনার কাছে (যিনি এই মুহুর্তে আমার এই লেখাটি পড়ছেন)।

প্রথম প্রশ্ন হল-বিশ্বজিত হত্যার কারনে রাজনৈতিক ভাবে সবচাইতে কে বেশী লাভবান হল ?
দ্বিতীয় প্রশ্ন-মিডিয়া কি সব সময়ই সত্য এবং সম্পুর্ন বিতর্কহীন ভাবে সব কিছু আমাদের সামনে তুলে ধরতে পারে,তাদের রিপোর্টিংয়ে কি কোন ঘাটতি থাকে না?
তৃতীয় প্রশ্ন- যে দলের ছাত্র সংঘঠনের উপর দায়টি আপাতত পড়েছে তাদের নিজেদের অস্তীত্ব বিলিন করে দিতে এমন আত্নাহুতি করার কারনটা কি ?

(প্রশ্ন গুলির উত্তর খুজে নিতে এবং আমিার কথাগুলিকে ভালভাবে বিবেচনায় আনতে নিচের লিংকটিতে একটু চোখ বুলিয়ে নিন।)

বিশ্বজিৎ হত্যার সাথে জড়িত প্রতিটি মনুষরুপি হায়নার বিচার হবে একজন শান্তিপ্রিয় মানুষ মাত্রই চায় এবং আমিও চাই। কিন্তু যে বিশ্বজিৎ আমাদের নোংরা রাজনিতির শিকার হল যাদের চক্রান্তের জালে আবদ্ধ হয়ে একজন নিরিহ পথচারিকে স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি দিতে পারলোনা রাষ্ট্র তাদের সমুলে উৎথাত করার প্রশ্নে আমার সাথে আপনাদের কোন দ্বিমত আছে কি ?

বিশ্বজিৎ হত্যা..
ধীরে ধীরে পরিষ্কার হতে শুরু করেছে বিশ্বজিৎ হত্যা রহস্য। গত ৯ ডিসেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হরতাল বিরোধী যে মিছিল থেকে বিশ্বজিতের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল ওই মিছিলে ছাত্রশিবিরের কর্মীরাও ছিল। গোয়েন্দা হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে তদন্ত কর্মকর্তাদের এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন আটক নাহিদ ও শাকিল।

হামলার সঙ্গে জড়িত মোহাইমেন আল-মাসুদ ও তাসনিম নামে দুই শিবিরকর্মীকে খুঁজছে গোয়েন্দা পুলিশ। ছাত্রলীগের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এ শিবিরকর্মীরা সেদিন বিশ্বজিৎকে শুধু হামলা চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, ছাত্রলীগ কর্মীদের উস্কানিও দিয়েছিল -বিস্তারিত