ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

 

বাস-মিনিবাসে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়া হলে রুট পারমিট বাতিল ও তা জব্দ করা হবে বলে জানিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী।

বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণে রোববার থেকে পুলিশের একটি বিশেষ দল সক্রিয় থাকবে বলেও জানিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন।

তিনি জানান, ওই পর্যবক্ষেণ দলের সদস্যরা সিভিল পোশাকে বাস ও মিনিবাসে উঠবেন।

শনিবার রেল ভবনে বাস মালিকদের সঙ্গে ভাড়া সংক্রান্ত এক সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন বলে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

গত ১২ মে সিএনজির দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রতি ঘনমিটার ২৫ টাকা নির্ধারণ করে সরকার।

ওই দিন থেকেই ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া ইচ্ছে মাফিক বাড়িয়ে দেয় মালিকরা। এতে গণপরিবহনে ভাড়া নিয়ে সৃষ্টি হয় নৈরাজ্য। অনেক স্থানে শ্রমিকদের সঙ্গে যাত্রীদের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

এরপর ১৬ মে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৩৫ ও ৫০ পয়সা বৃদ্ধি করে সরকার।

এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হলেও সরকার নির্ধারিত ভাড়া মানছে না কোনো রুটের যানবাহন।

নির্ধারিত ভাড়া নিতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আবুল হোসেন বলেন, “ভাড়া নিয়ে কোনো জটিলতা সৃষ্টি হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ক্ষেত্রে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম বাড়ানো হবে বলে জানান যোগাযোগমন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, রুট পারমিটবিহীন বাস ও মিনিবাস যাতে ঢাকা মহানগরীতে চলাচল না করে সে জন্য মহানগর পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ঔনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি রমেশ চন্দ্র ঘোষ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী, সড়ক ও রেলপথ বিভাগের সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ, বিআরটিএ ও বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান।

***
মূল খবর: বিডিনিউজ টোয়েন্টি ফোর ডট কম