ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

বগুড়া আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন স্কুল ও কলেজের ৫তলা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে নবম শ্রেণীর ছাত্র রায়হান রাব্বী তাসিন (১৬) আত্মহত্যা করেছে।

 

অবাক হলাম যখন জানলাম ছেলেটি বেশ ক’দিন ধরেই আত্মহত্যার ইঙ্গিত দিচ্ছিলো ফেসবুকে। সর্বশেষ স্টেটাসটি ছিলো;

‍”THANKS TO ALLAH FOR GIVING ME A LIFE OF FULL OF PAIN… BYE, EVERYONE!!!”

 

১৪ ফেব্রুয়ারিতে ফেসবুকে সে বদলেছে প্রোফাইল ফটো, লিখেছে “আমি আত্মহত্যা করিনি আমায় হত্যা করা হয়েছে”

 

 

“THERE IS SOMEONE WHO IS CALLING ME SO LOUDLY.

WAS IT YOU ? NEVER,IT WAS MY SOUL CALLING TO CATCH MY BODY.

I HAVE TRIED A LOT OF TIMES, BUT I WAS UNABLE TO CONTROL MYSELF. MAYBE I WAS CONTROLLED BY THE HELP OF SOME PEOPLE OF FACEBOOK. AND ALSO FOR THE FAKE EXPECTATION.

IN REAL LIFE, EXPECT THESE, EVERYONE WAS TRYTING TO HELP. EXACTLY, PEOPLE OF MY FAMILY WERE TRYING SO HARD TO HELF FOR KILLING ME BY MYSELF.

THERE IS NO VALUE OF LIVING WITH DYING. THE BEST WAY IS DYING WITH DYING. EXCESS IS NEVER GOOD, SO I’M LEAVING. BECAUSE I AM NOT LIKE THE ALMIGHTY GOD, SO I CAN’T TAKE THESE ANYMORE.”

 

 “সহজেই যাহা আপনার নিকট ধরা দেয়,সে সস্তা কখনো আপনার ভিতর ভরিতে পারে না রত্ন বা কিছু অমূল্য
মরি গেলেও থাকে ন,তাহারও মাঝে কোনো মূল্য। আল্লাহ আমি তোমার নিকট যাইতেছি, তবে পুরস্কার নিতে নয়, তিরস্কার নিতে।”

 

“পরিবারের জন্য একটা বড় বোঝা কমতে যাচ্ছে। ফলে সাশ্রয় হবে প্রচুর অর্থ, সমস্যা কমবে সম্পত্তি নিয়ে ।

একটা মেয়ের জন্য একটা ছায়া নিখোঁজ হয়ে যাবে, যাকে ধরা না দেওয়ার জন্য মেয়েটা সারাক্ষণ অবহেলা করতো এবং লুকিয়ে থাকতো ।

তবে কয়েকপল পর থেকে এই আবর্জনা, পৃথিবী থেকে মোচন হতে যাচ্ছে ।

Thanks to everyone. All of you might enjoy the world.”


এইসব স্টেটাস দেয়ার খানিক বাদে, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫/০২/২০১৮) দুপুরে নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ তলা ভবনের উপর থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সে।

কেন আত্মহত্যা করলো? – বাবার সাথে মায়ের বিচ্ছেদ? না কি অন্য কিছু! জানিনা আর কতো শিশুর লাশ মাটিচাপা পড়লে সচেতন হবে মানুষ।