ক্যাটেগরিঃ শিল্প-সংস্কৃতি

শুধুমাত্র পহেলা বৈশাখের দিনে ফেসবুকের হোমপেজে সেলফি, পান্তা-ইলিশ আর রঙিন স্টাটাসের জট না বাঁধিয়ে অন্তত একদিনের বাঙালি হাওয়ার চেয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই গানটা এবার একটু আগে থেকেই মনে করতে চাই।

এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ।
তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক॥
যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে-যাওয়া গীতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক॥
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।
রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ।
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক॥

আজ ১৯ চৈত্র ১৪২৪, ২রা এপ্রিল ২০১৮! বৈশাখ আসতে খুব বেশি দেরি নেই। ফুরিয়ে এলো ১৪২৪… অপেক্ষা নতুন বছর ১৪২৫ এর। ছবিগুলো গতবছর বৈশাখে বগুড়া এডওয়ার্ড পার্কে তোলা।‌

 

আলোকচিত্রী: নাভিদ ইবনে সাজিদ নির্জন

 

ছিকায় আলপনা আঁকা হাড়ি

 

বৈশাখী মেলায় বিক্রির জন্য বড় আকৃতির একটি ফুলদানি রং করা হচ্ছে

পহেলা বৈশাখ ১৪২৪ উদযাপনে বগুড়া জেলা প্রশাসনের মঙ্গল শোভাযাত্রা

লাল-সাদা শাড়ি ও চুড়ি আর লাল টিপ কপালে তরুণীর বৈশাখী উল্লাস!

পাতিল ঝুলিয়ে রাখার জন্য পাটের তৈরী এই জিনিসটাকে বগুড়ায় ‘ছিকা’ বলে সম্বোধন করা হয়। এটা পাতিল ঝুলিয়ে রাখতে ব্যবহার করা হয়। সময়ের সাথে সাথে মাটির পাতিল আর ‘ছিকা’ আজকে বিলুপ্তপ্রায়।

মাটির তৈরী বাঘ এবং খেলনা হাড়ি-পাতিল 

এটা রুই না কাতলা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। রুই-কাতলার হিসেব আমার গুলিয়ে যায়‍! সম্ভবত কাতলা হবে। গত বৈশাখে এই মাছটা এডওয়ার্ড পার্কে কাটতে দেখলাম। পরে এটা বিক্রি হয়েছে নাকি নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি হয়েছে সঠিক জানি না। এটা বোধহয় প্রদর্শনীর জন্য ছিলো!

 

আলপনা আঁকা মাটির কলস