ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

ভাবি কিছু লিখব কিন্তু কি লিখব,কেন লিখব,কার জন্য, ফলাফল কী? এদেশে কারও দায় আছে সবাই স্বাধীন যার যা ইচ্ছা তাই করবে,যার যা খুশি সেভাবে চলবে, চিন্তা নাই যে আমি কাল মরে যাব,আমারে কবর দিবে, আগুনে পুড়াবে, পুতে রাখবে আর কত কি,তখন আমার এই ক্ষমতা কোথায় যাবে?

এত গুলো মানুষের ভিড়ে এত কিছু কেমনে হয়? এখন আমার আইন আছে পুলিশ আর বিপক্ষে যায় এমন ছবি বানানো যাবে না । শুধু আইন আর আইন?
এত দিন ভারতরে বলতাম বাস এ ধর্ষণ হয়,এখন ত আমগো দেশে ভরা জনসমুদ্রে ধর্ষণ হয়। শুধু মেধাবি এবং মানুষেরজাত হলে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়া যায় কিন্তু সত্যিকার মানুষের রক্ত সবার ভিতর থাকেনা। ইউনিভার্সিটির পোলাপান এতে সংশ্লিষ্ট নেই এটা কোন ভাবে সম্ভব নয়।
আর এদের হাত কত বড় এটা না হলে তারপরদিন দেখতেন কত নাটক তাদের ধরে সরকার পুরা নায়ক বনে জেত!! কিন্তু হাই আফসোস !!! জামা কাপড় সব খুলে ফেলাল কেও ছিল না, সবাই মজা লুটে বাহ! এই দিকে প্রক্টর সাহেব গেম খেলা নিয়ে ব্যস্ত পুলিশ আর কথা নাই বা বললাম ।

“জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে ছাত্রলীগের এক কর্মীকে পিটিয়েছে ছাত্ররা।উত্ত্যক্ততার জন্য মারধরের শিকার ছাত্রলীগকর্মী নাজমুল রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সপ্তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।” কাহিনির তো শেষ নাই। এত কিছু ঘটে যাবে-যাচ্ছে । এখন ইজি ব্যাপার কাল যখন আমার,আপনার মা বোন এর স্বীকার হবে তখন কিন্তু কেও বলার থাকবে না তাই একটু আওয়াজ দিয়েন সবার অবস্থান থেকে।

এবার আসি বৈশাখ নিয়ে পহেলা বৈশাখের অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা বর্তমানে এতটা বেড়ে গিয়েছে যে ইউরোপ ও পাশ্চাত্য সঙস্কৃতিকেও হার মানায় । কেউ যদি এর বিরুদ্ধে কোন মন্তব্য করে তাহলে তার উপাধি “মৌলবাদী” ভূষিত করতে  দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবি ও সুশীল সমাজকে মোটেও বেগ পেতে হয় না।
সম্রাট আকবরের সিংহাসন আরোহনের বছর ৯৬৩ হিজরী (১৫৫৬ ঈসায়ী) সনকে শুরুর বছর ধরে ফসলি সন নামে যে সন প্রবর্তন করা হয়। মূলত জমির খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে এ সন প্রবর্তন করা হয়। সমাজের সর্বনিম্ন স্তর থেকে সর্বোচ্চ  পর্যন্ত বাংলা সন ব্যবহৃত হবার কারণে মানুষের প্রতিদিনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনার সাথী হয়ে আছে এই সনটি।  ফলে সন প্রবর্তনের সময় থেকেই সাধারণ মানুষের সাথে এ সনের পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
আর আজ উৎসবের সঙ্গে যুগ পরিবর্তনের ছাপ স্পষ্ট। উৎসবে যেখানে একদা হৃদয় আবেগের প্রাধান্য ছিল, ছিল প্রীতিময় আন্তরিকতা। আজ কৃত্রিমতা তাকে গ্রাস করে ফেলেছে। যেখানে হৃদয়হীন আচার অনুষ্ঠানের মাতামাতি। চোখ ঝলসানো চাকচিক্য আজ উৎসবের বৈশিষ্ট্যে।উৎসবে তাই আজ আমাদের হৃদয়-দৈন্যের নগ্নতা।
একটি কুচক্রী মহল পহেলা বৈশাখকে এক উদ্ভট সংস্কৃতিতে পরিণত করার হীন প্রয়াসে লিপ্ত রয়েছে। ইসলামি উদার সংস্কৃতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে। সম্পূর্ণ হিন্দু সংস্কৃতি তথা মূর্তি পূজার সংস্কৃতিতে পরিণত করে ফেলেছে। যা আমাদের ধর্মীয় মূল্যবোধকে নানাভাবে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলেছে। আসুন দেশের দিকে দেশের মানুষের দিকে তাকাই। অসহায় কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে বার মাসই আমরা সুখে থাকতে পারব।

এ পদক্ষেপ আমাদেরকে একদিনের নয়, চিরদিনের বাঙালি হতে সহায়ক হবে।