ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

একদিকে চলছে শিক্ষাকে পণ্য করার প্রতিযোগিতা অন্যদিকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষাকে ফ্রী ও অবৈতনিক করার বুলি আওড়ানোর এক মিথ্যা প্রভোলন!!!

আজ স্বাধীনতার এত বছর পর আমাদের সংগ্রাম করতে হয় শিক্ষা নিয়ে সত্যি আজ রুচিতে বাধে। বাংলাদেশে মাননীয় অর্থমন্ত্রী ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে শিক্ষা ও গবেষণার উপর বিনিয়োগ না করে(টাকার অঙ্কে বেশি হতে পারে কিন্তু পূর্ববত্তি ৫ বছরের তুলনাই কম) উল্টো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর ১০% ভ্যাট আরোপ করছে।মনে প্রশ্ন জাগে অর্থমন্ত্রী কি সর্বদা আলোচনাই থাকতে চান না,সত্যি মানুষের চাওয়া পাওয়া বুঝে???

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও ত্বরান্বিত করতে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম কিন্তু আজ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকরা ছাত্র-ছাত্রীদের চুষে শেষ করে ফেলাচ্ছে,তার উপর নেই কোন নিজেশ ক্যাম্পাস।সরকারের কোন নজর এই দিকে আছে কিনা জানা নাই।শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার আর এর যোগান এর দায়িত্ব সরকারের তবে কেন আমরা ভ্যাট তো বাদ দিলাম,টাকা দিয়ে পড়ব!!!

ধরে নিলাম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পোলাপান জমিদারের ছেলে,তাহলে তাদের বাবা-মা সরকারের কোষাগারে ট্যাক্স ও প্রদান করে(যেহেতু তারা জমিদার)। আমাকে এখানে একটা প্রশ্ন জাগে তাদের পিতামাতা ট্যাক্স দেয়,তাদের ছেলেকে আপনার সরকার কি দিচ্ছে ?? সেই ট্যাক্স দিয়ে কি হচ্ছে?? রাষ্ট্র আজ তার ছেলের দায়ভার নিবে না তাহলে কেন ট্যাক্স দিবে মাননীয় অর্থমন্ত্রী??

এবার বাস্তবতাই আসি,বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী থাকে যাদের বাবা-মা তাদের শেষ সম্ভল খরচ করে বা পিতার পেনশন টাকা দিয়ে তার ছেলে-মেয়েকে পাঠাই শিক্ষা অর্জন করতে এর মধ্যে অর্থমন্ত্রী যদি ট্যাক্স চান বিষয়টা কেমন দেখাই মাননীয় অর্থমন্ত্রী !!

বিমা কোম্পানি গুলো ৬৫ বছরের বেশি বয়স হলে তার দায়িত্ব নিতে চাই না আর ৮১ বছরের এক বৃদ্ধ যদি অর্থমন্ত্রী হয় কেমন দেখায়।!! দরকার আইসিটি মন্ত্রী জনাব জুনায়েদ আহমেদ পলক এর মত লোক।

আজীব এক দেশ এদেশে সংসদের গাড়ি আনা হয় শুল্ক মওকুফ করে অন্যদিকে শিক্ষার উপর ধার্য করে ভ্যাট।

slide