ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

 

মানুষ যখন কোনও দুর্ঘটনাতে মারা যায়, শুধু তখনই তা খবরের কাগজে আসে……অথবা যদি অনেকে আহত হয়, তাহলে আমরা কাগজে দেখতে পাই। কিন্তু, যে ঘটনা গুলো বড় ধরনের দুর্ঘটনা , অথবা কারো মৃত্যুর কারণ হতে পারতো সেই খবর গুলো খুব কম ই আসে। আসলে ওই ভাবে খবর ছাপানোও যায় না। আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে কিছু দিন আগে এক পথচারীর মাথায় নির্মাণাধীন বাড়ির উপর থেকে ছুটে আশা একটা ইট পড়ে তার জীবন কেড়ে নেয়। কিন্তু, এরপর আর কী হল? এখনো কোনও অ্যাকশন নেয়া হয়েছে বল আমার জানা নাই। অন্য যে সকল নির্মাণাধীন ভবনগুলো আছে, এগুলোর কী অবস্থা তা কি কেউ দেখেছেন? হয়তো দেখে থাকবেন, কিন্তু অনিয়ম হয়তো আপনিও করছেন বলে অন্যকেও কিছু বলেন না। আজকে বনানী সুপার মার্কেট এলাকার এক নির্মাণাধীন ভবন থেকে ছুটে আসা বিশাল তক্তা হয়ত কেড়ে নিত আরেকটা জীবন, যদি তিনি রিকশার হুড না তুলে দিয়ে থাকতেন…..তারপরও কিন্তু তিনি অক্ষত না। রিকশার হুড ভেঙে গেছে, কিন্তু তার মাথা বেঁচে গেছে, তারপরও তিনি আহত। হুড গড়িয়ে তক্তা এসে পড়ে তার পায়ের উপর। দেখলাম তার পা থেকে রক্ত গড়িয়ে পরছে। হাড় ভেঙে গেছে তা তো কম্পিউটার সায়েন্স এর স্টুডেন্ট হয়েও বুঝলাম। তিনি আসলে যেই স্থানে ছিলেন, আমার থাকার কথা ছিল ঠিক ওই জায়গাতে। আমি যে রিক্সায় ছিলাম, ঐটা পাথরে আটকায়ে যাবার কারণে দাঁড়িয়ে পড়ে, আর পেছনের রিক্সা সামনে আগিয়ে যায় । আর ওই রিকশার উপর i তক্তা পড়ে। যদিও বলতে পারেন যে কিছু হয় নাই তো। কিন্তু, চিন্তা করে রাখেন যে হুড তোলা না থাকলে ওই বেচারার কী অবস্থা হতো। সে কেন মারা গেল সেইটা বুঝার আগেই নেই হয়ে যেত। আসে পাশে আরও কিছু ভবনে কাজ চলে, কিন্তু কেউ ই ঠিকভাবে প্রোটেকশন দেয় নাই। ভবন মালিকদের কাছে জীবনের থেকে টাকার মূল্য বেশি। ওই খানে অনেক স্টুডেন্ট চলাফেরা করে, ব্যাস্ত একটা মোড়-যে কোনও সময় আবার দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে, যদি সংশ্লিষ্ট কোনও ব্যক্তি যিনি বিষয়টি অফিসিয়ালি কোথাও জানতে পারবেন প্লিজ জানিয়ে দিয়েন, দেখেন, আবার ততো দিনে আর একজনের রক্তপাত যেন না হয়। মনে রাখবেন, ওই জায়গাতে আপনিও থাকতে পারতেন(আল্লাহ না করুন)।

আপনাদের আসে পাশে এমন ঘটনা ঘটলে ব্লগের মাধ্যমে প্রকাশ করুন ।

আমাদের ফেসবুক পেজ ::: চাইলে আসতে পারেন