ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

 

একটা সাধারণ কথা,শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয় ওই ব্যক্তিকে , যিনি কোনও দেশ অথবা গোটা পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন। প্রথমত, বারাক ওবামা কোনও ধরনের শান্তিমূলক কাজ না করেই তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। কী কারণে হয়ত আপনার অনেকেই জানেন,কিন্তু আমি জানি না। তার পরেও, একজন মানুষের কৃতজ্ঞতা বোধ থাকলে সে কিছু করার চেষ্টা করত। কিন্তু,আপনার কী চোখে আঙুল দিয়ে তেমন কোনও শান্তিময় কোনও উদাহরণ দেখতে পারবেন?

একটা রাষ্ট্র পরাধীন থাকলে তাদের জনগণের কতটা কষ্ট হয় তা আমরা বাঙালিরা জানি। জাতিসংঘে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আরে ভাই, আমেরিকান রা কী বুঝবে পরাধীনতা কী জিনিস? সারা জীবনী তো তারা নানা জাতিকে পরাধীন করে রেখেছে। যদি তাই হয়, তাইলে তো শান্তিতে নোবেল দাঙ্গাবাজগুলারে দেয়া হয়। এই নোবেল না পাওয়া ভালো।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশগুলোর অন্যতম ফিলিস্তিন। যার কারণে তাদের যে কোন ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি সমর্থন দেয়া বাংলাদেশের নৈতিক দায়িত্ব। যদিও ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি সমর্থন দিতে দ্বিতীয় কোন কারণ লাগে না । কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী বারাক ওবামার ভাষণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন, যেখানে ওবামা বলেছেন তিনি ফিলিস্তিনদের বিপক্ষে ভেটো দিবেন। মানলাম যুক্তরাষ্ট্র অনেক ক্ষমতার অধিকারী,তার মনে এই নয় যে হাসিনা আপা একটা রাষ্ট্রকে সাধীন করার জন্য একটা কথা বলতে পারবেন না। প্রশংসা করার সময় অপার তার বাবার কথা মনে করা উচিত ছিল। শেখ হাসিনা ওবামার ভাষণের প্রশংসা করলেন। অথচ খোদ পশ্চিমা বিশ্বেই এই ভাষণ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

[নিউজ]

নিরাপত্তা পরিষদের ভেটোদানের ক্ষমতা, বিপন্ন বিশ্ব শান্তি ও গণতন্ত্র । ভেটোদানের ক্ষমতা আধুনিক বিশ্বে এক মারাত্বক স্বৈরাচারিতা ও স্বেচ্ছাচারিতা।বিশ্ব শান্তির জন্য ভেটো দানের ক্ষমতা রধ করা উচিত। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা পরাবে কারা??? যদি আমেরিকার জন্যে ফিলিস্তিন স্বাধীন রাষ্ট্রের খেতাব না পায় , তাহলে বারাক ওবামার শান্তির নোবেল প্রাইজ যাতে কেড়ে নেয়া হয় ; অথবা আগামী বছর থেকে নোবেল প্রাইজ কমিটি যাতে শান্তিতে নোবেল প্রাইজ দেয়া বন্ধ করে দেয় ।

আমরা বাংলাদেশী জনগণ হইতো কিছু করতে পারবো না, তবু চলেন ফিলিস্তিনদের জন্য দূয়া করি, ফিলিস্তিনি শিশুরা যেন ট্যাংকের নিচে চাপা না পড়ে। স্বাধীনতার সূর্য যেন ফিলিস্তিনিদের ঘুম ভাঙায়। নতুন সূর্যোদয় আলোকিত করুক ফিলিস্তিনকে।তাদের দুধের বাচ্চাগুলো আর যেন নিজেদের রক্তে হোলি না খেলে।দখলদার ইসরায়েল ধ্বংস হোক। জয় হোক পৃথিবীর সকল “মুক্তিকামী” মানুষের। আরব সাগর পরিমাণ রক্তের বিনিময়ে হলেও আসুক পরম আকাংখিত স্বাধীনতা। স্বাধীন হোক ফিলিস্তিন।

আমরা কিছুই কী করতে পরী না আসলেও? আমাদের দেশে আমেরিকান এমবাছি আছে, যাবেন নাকি তার সামনে প্রতিবাদ জানাতে?? নাকি জনের ভয় করেন?? ওই দিকে কিন্তু অনেক ফিলিস্তিনির প্রাণ যাচ্ছে।

আমাদের ফেসবুক পেজ এ আপনার আমন্ত্রণ রইল…..