ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

ধন্যবাদ জামাত শিবির!
• তোমরা নাস্তিকরে হত্যা কইরা মুমীন বানাইসো;
• আর নিজেরা নাস্তিকটার সব গুনাহ কাঁধে নিয়া মুশরিক হইয়া গেসো। মারহাবা মারহাবা!!

ধন্যবাদ জামাত শিবির!
• নাস্তিকটার অবদান ছিল দেশপ্রেম, তাই সে ঈমানদার।
• আর তোমার অবদান ছিল কোরান অবমাননা, তাই তুমি কাফের। মারহাবা মারহাবা!!

ধন্যবাদ জামাত শিবির!
• নাস্তিকটার মৃত্যুতে তুমি আজ ১০লক্ষ লোকের জানাজা পড়াইলা,
• আর তোমার জুলুমের কারণে তোমার আর তোমার রাজাকার নেতাদের এদেশের মাটি কপাল থেকে সরাইলা।। মারহাবা মারহাবা।।

ধন্যবাদ জামাত শিবির!
• নাস্তিকটার কৃতকর্মের বিচার তুমি আল্লাহকে করতে দিলা না, তুমি নিজে প্রাণ নিয়া বুঝায় দিলা তুমি আল্লাহ, তুমি বুঝায় দিলা আখিরাত এর কোন মূল্য নাই, তুমি বুঝায় দিলা আল্লাহ কত অসহায়;
• আর তোমার কৃতকর্মে আল্লাহ নিজেই অপমানিত হলেন, ইসলামকে অশান্তির অস্ত্র বানাইয়া অস্বীকৃতি জানাইলা, আর মহানবী হযরত মুহম্মদের পবিত্র নামে থুথু ছিটানোর জন্য সব নাস্তিকদের পথ তৈরী করে দিলা। মারহাবা মারহাবা!!

ধন্যবাদ জামাত শিবির!
• নাস্তিকটা আজ যে শহীদ – রাস্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অফ অনার – এমন সম্মানিত মৃত্যু যে কোন ঈমানদার মুসলমানের কাম্য, তাতো তুমি পেতে পারতে;
• কিন্তু তুমি আজ খুনী-আসামী, রাস্ট্রীয় অপরাধে রাজাকার – তোমার জীবন কত নোংরা, কত নিরাপত্তাহীন,কত জাহান্নামী তা তো নাস্তিকের প্রাপ্য ছিল।

হায় জামাত শিবির! আর তোমাদের দোসর যারা জানাজা চায় নি-
• তারা নাস্তিকতার গুনাহ গুলো ভাগ করে নিজেরা নিজেদের কামড়া কামড়ি করছো। আর আমাদের বলছো নাস্তিকের গুনাহ মাফ হবে না।
• অথচ আমরা দেখলাম আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে ১০লক্ষ মানুষ পাঠালেন সারাদেশ থেকে, আর তার সব গুনাহ গুলো তোমাদেরকে দিলেন বিকাল ৫টা ৩০মিনিটে যখন তোমরা পরাজিত হয়ে তোমাদের হিংসা নিয়ে ফোঁস ফোঁস করছিলে আর সফল হওয়া জানাজা দেখছিলে।
• কেমন লাগছিল তখন? মনে হচ্ছিল না যে মহান আল্লাহ তোমাদের থেকে মুখ ফেরালেন?
• তোমাদের কি মনে হচ্ছিল না এটা তোমাদের উপর আল্লাহর একটি গজব? যে পুরস্কার তোমরা পেতে পারতে তা তোমাদের অন্যায় হত্যার মাধ্যমে একজন নাস্তিক তার পুরো পুরস্কারটা পেয়ে গেল?
• তোমরা কি বুঝতে পারছো না যে তোমাদের আখিরাতটা এখন ওই নাস্তিক রাজীব ভোগ করবে আর তোমরা তার জন্য নির্ধারিত দোজখটা ভোগ করবা?

তোমরা কি তোমাদের নিশ্বাসকে জিজ্ঞেস করেছো কেন একজন নাস্তিক মানুষ মুমীনের সম্মান পায় যা তোমাদের প্রাপ্য ছিল?
কারণ – তোমাদের নিরাপরাধ মানুষ হত্যা, তোমাদের আল্লাহ ও রাসুলকে অপমান, ও দেশের প্রতি বেঈমানী।

এই হত্যাকান্ড ঘটানো, হত্যা সমর্থন ও রাজীবের জানাজাকে অসমর্থন – আল্লাহর দৃষ্টিতে একই অপরাধ।

• এখন যদি কারো মনে অনুতাপ আসে, যারা জানাজার বিপক্ষে বলেছেন বা হত্যাকে সমর্থন করেছেন; তারা – এই হত্যার বিপক্ষে- এখন থেকে – দেশের স্বার্থে দেশপ্রেমকে সামনে রেখে রাজাকারের ফাঁসি চান আর আল্লাহর কাছে মাফ চান। যাতে আল্লাহ আর আপনাদেরকে এমন গজব না দেন, আপনাদের ভেতরে ঈমান ঢেলে দেন, আর সত্য ও সরল পথ দেখান।
• নাহলে আপনাদের নাম লিখে রাখছি, যেদিন আপনারা মৃত্যুবরণ করবেন সেদিন আমরা বলব আপনাদের জানাজা পড়া যাতে না হয়; দেশের মাটিতে আপনাদের কবর যাতে না হয়; কারণ আপনারা দেশের ঐতিহাসিক প্রজন্ম চত্বরের ২০১৩ সালের বিপ্লবের সর্বপ্রথম শহীদ রাস্ট্র ঘোষিত বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজীব হায়দার শোভনের জানাজা – না হবার জন্য প্রতিরোধ করেছেন। একথাগুলা আপনাদেরকে হুমকি নয়, এটা আপনাদের জানানো যে আপনাদের সময়ের পাপ আমরা ভুলি নাই।
• আপনারা কি বুঝেননা যে আল্লাহ আপনাদের মধ্যে ‘দেশপ্রেমই ঈমান’ – এটা দেখতে চাচ্ছেন? দেশপ্রেমই ঈমান – এটা দিয়ে পুরস্কৃত করতে চাচ্ছেন? যা দেখছেন, শুনছেন ও বুঝছেন তা দিয়ে আমি দেখি নাই, আমি শুনি নাই আর আমি বুঝি নাই- বলে কতক্ষণ কুফরী পথে যাবেন?

আর রাজীবের হত্যাকারীদের বলব, স্বেচ্ছায় আইনে নিজেদের সোপর্দ করেন, আপনাদের হত্যা করার মত জঘন্য কাজ এদেশে মানুষের রুচিতে নাই – পারলে আইনের মাধ্যমে স্বসম্মানে আপনাদের বিচার করাই আমরা এখনও নৈতিক মনে করি।

আপনি বেঈমান-মুনাফিক-মুশরিক-দেশদ্রোহী-রাজাকার-হত্যাকারী-জালেম হবার পরও দেশবাসী আপনাদেরকে এখনও নাগরিক হিসেবে সম্মান দেয়, আপনার মা আপনাকে এখনও তার সন্তান জানেন। আপনার মায়ের মুখ মনে করে – লজ্জা থাকলে বুঝে নেবেন জামাত শিবির।