ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

চারদিকে শুধু লাশ আর লাশ। বাতাসে স্বজনহারাদের বুক চাপড়ানো আর্তনাদ। অতিবর্ষণ, পাহাড়ধস, নদ-নদী উপচে পড়া পানি, পাহাড়ি ঢল আর বজ্রাঘাতে চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজারের বহু এলাকা পরিণত হয়েছে মৃত্যুপুরীতে। এখন পর্যন্ত এই তিন জেলায় ১০৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ রয়েছে অনেকে। আহত শতাধিক। আশ্রয়হীন হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে গতকাল বুধবার রাত পর্যন্ত চট্টগ্রামে ২৮, কক্সবাজারে ৩৮ ও বান্দরবানে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলম দুর্গত তিন জেলার ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দিতে গিয়ে গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বুধবার দুপুর ২টা পর্যন্ত আমরা ৯১ জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। দুর্যোগকালীন স্বেচ্ছাসেবক, ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।’ বর্ষণজনিত দুর্যোগে চট্টগ্রাম বিভাগে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

তথ্যসুত্রঃ কালের কন্ঠ

======================================================

কোন এলাকায় কোন সেবা পৌছে দিতে গেলে একটা ফ্রেমওয়ার্ক লাগে। আমি নিশ্চিত দেশে এবং বিদেশে অনেকেই আছেন যারা এই দূর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ইচ্ছুক। কিন্তু কীভাবে? ফ্রেমওয়ার্ক কোথায়? কাদের মাধ্যমে এরা এই দূর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়াবে?

প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আছে। রাজনৈতিক দল ছাড়াও অনেক অরাজনৈতিক সংগঠন ও আছে যারা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে রেজিস্ট্রিকৃত।

রাজনৈতিক দলের যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো আছে এদের ফ্রেমওয়ার্ক তো সবচেয়ে বড়। মুহুর্তেই দেশের যে কোন প্রান্তে এরা এদের শাখা সংগঠনের মাধ্যমে যে কোন শুভ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে পারে। এরাতো এই মুহূর্তে সেবা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে মিডিয়া হিসেবে কাজ করার কথা। মানব সেবার মহানব্রত নিয়ে এদের মাঠে থাকার যে কথা ছিলো তাতো চোখে পড়ছে না।

তাহলে এই মুহুর্তে এরা কোথায়? এরা কখন স্বেচ্ছায় সেবা দিবে বলে বিভিন্ন জায়গায় সাইনবোর্ড লাগিয়ে বেড়ায়? আর এ সাইনবোর্ড লাগানো আস্তানা থেকে এরা কী ধরনের সেবা মানুষকে দিয়ে থাকে?