ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

 

বিশ্ব ব্যাংকের কথা বললাম। ড.ইউনুস যেদিন আর এই ইহলোকে না থাকবেন সেইদিন গ্রামীণব্যাংক থেকে শুরু করে বিশ্বব্যাংক মাঝখানে পাকিব্যাংক, তালিবানব্যাঙ্ক,সুইসব্যাংক, ইউরোব্যাংক, পাউণ্ডব্যাংক, আটলান্টিকব্যাংক, হিলারিব্যাংক সবখানে এক ধরনের নেত্রীত্তের শূন্যতা দেখা দিবে। যার কারণে এই ব্যাংকগুলো আর দুর্নীতি শেষ করে দার হতে পারবে না। হায় ইউনুস। কী এক আজিব সম্পদ আমাদের দেশের। আমরা পেয়েছি। মহান রাব্বুল আলামীন আমাদের দিয়েছেন দুই হাত ভরে। আমরা ধন্য। ড.ইউনুসের নামে ৮ টা পাঠা বলি দেওন দরকার।

প্রশ্ন:ড.ইউনুস কী দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় ?
উত্তর:ড.ইউনুস এই পর্যন্ত কোনও দিন বাংলাদেশ সরকারকে কর দেয়নি। এটাকে কী দুর্নীতি বলে কিনা জানি না।

প্রশ্ন:ড.ইউনুস কে ?
উত্তর:ড.ইউনুস হলো হিলারীদের পাকের ঘরের লোক।

প্রশ্ন:ড.ইউনুস আর বিশ্ব ব্যাংকের মধ্যে তফাত কী ?
উত্তর: বিশ্ব ব্যাংকে বিশ্ব চালায় আর ড.ইউনুস বিশ্ব ব্যাংক চালায়।

প্রশ্ন:পদ্মা সেতুর ঋণ কিভাবে বাংলাদেশ পেতে পারে আবার পুনরায় ?
উত্তর:ড.ইউনুস কে আবার গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি বানান লাগবো। পড়ে আর কোনও টেনশন নাই, অর্থমন্ত্রী একদিন ঘুম থেইক্ষা উইঠা দেখবেন বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ ঘরের সামনে।

ড.ইউনুস এর কান্নাকাটিতে বিশ্বব্যাংক দুর্নীতি নামক এক পরিচিত শব্দের ব্যাখ্যা দিলেন আমাদের। বিশ্ব ব্যাংক বলে আমরা নাকি দুর্নীতি বাজ। আর আমি বলব আমরা সেই শুরু থেকেই দুর্নীতিবাজ। এটা নতুন কোনও বিষয় নয়। তো বিশ্বব্যাংক এর এত দিন পড়ে বোধদ্বয় হল কেন ? আগে পড়ে তো বিশ্বব্যাংক আমাদের কাছ থেকে ভালই ব্যবসা করছে। এক টাকাও সুধ মাফ করে নাই। আর আগেও পরেও তো শুনি নাই বাংলাদেশে দুর্নীতি নামক কোনও শব্দ আছে সব সাদা ফক ফকা অথচ দুর্নীতিতে আমাদের রয়েছে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি। তা আবার বিশ্ব ব্যাংকের নিজের দেশ থেকে দেওয়া। কই তারা এত দিন চুপ আছিল কেন ?