ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

গতকাল ছিল জামাত ইসলাম এর ইফতার মাহফিল। হোটেল রুপসী বাংলায় হয়ে যাওয়া এই ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ১৮ দলীয় জোটের সর্বমোট অনেক নেতা। প্রথাগত ভাবে এই ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জামাতিদের অন্যতম নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ইফতারে কী খাওয়া দাওয়া হয়েছিল সেটা জানা যায়নি। কিন্তু যা জানা গিয়েছে আর তা হলো, জামাতীদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজাকার গোলাম আজমদের মুক্তি চেয়ে করা মুনাজাতে অংশ নিয়েছেন। আল্লাহর কাছে গুয়াজমদের মুক্তির জন্য কান্নাকাটি করেছেন। যদি ও মুনাজাত খানা খালেদা জিয়ার পরিবর্তে পরিচালনা করেছিল জামাতের নায়েবে আমির মাওলানা আবদুস সোবহান।

মুনাজাতে বলা হয়েছিল, হে আল্লাহ আজকের এ মাহফিলে সভাপতিত্ব করার কথা ছিল দলের আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর। কিন্তু বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে জামাতের আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মহাসচিব আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ শীর্ষ নেতাদের অন্যায়ভাবে আটক করে রেখেছে। এজন্য তারা আজকের এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন আল্লাহ। হে আল্লাহ আপনি দেখছেন ৯০ বছর বয়সী জামাতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমকে মিথ্যা মামলায় জেলখানায় আটক রেখেছে। আমরা তাদের মুক্তি চাই। আল্লাহ।

সাথে সাথে সবাই চিত্কার করে আমিন আমিন আমিন বলেছে। বাদ যায়নি খালেদা জিয়া ও অর্থ্যাত বেগম খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধী রাজাকার দের মুক্তির জন্য দোয়া করেছেন।

এখন বিতর্ক বাদীরা চিত্কার চেঁচামেচি করে বলবে আরে ভাই, খালেদা জিয়া তো আর মুনাজাত পরিচালনা করেননি! তাছাড়া মুনাজাতে অংশ নিয়েছেন অমরা তা জানি, কিন্তু মুনাজাত শেষে যে আমিন বলেছে তার কোন প্রমাণ আছে? নাই। প্রমাণ ছাড়া এমন খবর শুনে হাসাহাসির কোন মানে নাই।

কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, খালেদা জিয়া একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হয়ে গোলাম আজম,নিজামী দের মুক্তি চাইলেন কেন? এটাকে কোন ধরনের দেশপ্রেম বলা হয় ?

তথ্য সুত্র ও ছবি অনলাইন সংবাদপত্র।